একই বিষয়ে বারবার অকৃতকার্য হওয়ার মানসিক চাপ ও শিক্ষকের রোষানলের অভিযোগের মধ্যে প্রাণ হারালেন অর্পিতা নওশিন নামের এক মেডিকেল শিক্ষার্থী। ঘটনাটি নিয়ে সহপাঠীদের মধ্যে ক্ষোভ ও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার একটি হোস্টেলের নিজ কক্ষ থেকে অর্পিতা নওশিনকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে সহপাঠীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
সহপাঠীদের ভাষ্য, মানসিক চাপে ভেঙে পড়ে তিনি ১০৯টি এভেন্ডার ৪০ মিলিগ্রাম ট্যাবলেট সেবন করেন।
নওশিন কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি খুলনা সদরে। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছোট। খুলনার সরকারি করোনেশন গার্লস হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং খুলনা কলেজিয়েট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কেসিসি উইমেন কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে চিকিৎসক হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মেডিকেলে ভর্তি হয়েছিলেন।
সহপাঠীদের অভিযোগ, প্রথম বর্ষ থেকেই কলেজের এনাটমি বিভাগের প্রধান ডা. মনিরা জহিরের রোষানলে পড়েন নওশিন। প্রথম প্রফেশনাল পরীক্ষায় অন্যান্য বিষয়ে উত্তীর্ণ হলেও এনাটমিতে ফেল করেন। এরপর গত তিন বছরে আরও চারবার একই বিষয়ে পরীক্ষা দিয়েও উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
বন্ধুরা আরও জানান, প্রথম বর্ষেই তাকে প্রকাশ্যে ফেল করানোর হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে কী কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


