আজকাল বাসা-বাড়িতে গ্যাসের চাপ কম হওয়ায় রান্না, পানি গরম করা কিংবা অন্যান্য কাজ সময়মতো করা কঠিন হয়ে উঠেছে। এজন্য অনেকেই ইলেকট্রনিক চুলার দিকে ঝুঁকেছেন। কেউ ইন্ডাকশন চুলা পছন্দ করছেন, কেউ ইনফ্রারেড।

তবে ইলেকট্রনিক চুলা ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ বিলও বাড়ছে, যা অনেকের জন্য চিন্তার কারণ। তবে সঠিক কৌশল মেনে চললে বিদ্যুৎ খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। চলুন জেনে নিই কিছু গুরুত্বপূর্ণ কৌশল—
১. চুলার ক্ষমতা ঠিকমতো নির্বাচন করুন
চুলার পাওয়ারের দিকে খেয়াল রাখুন। বড় চুলা সবসময় বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। ছোট পরিবারের জন্য অতিরিক্ত বড় চুলা নেওয়ার প্রয়োজন নেই। সঠিক ক্ষমতার চুলা বাছাই করলে বিদ্যুৎ খরচ স্বাভাবিক থাকবে।
২. রান্নার সময় ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করুন
খাবার রান্নার সময় চুলার তাপমাত্রা খুব বেশি না রাখাই ভালো। বেশি তাপে রান্না করলে বিদ্যুৎ দ্রুত শেষ হয়। মাঝারি তাপেই রান্না করলে খরচ কম থাকে।
৩. ঢাকনা ব্যবহার করুন
চুলার পাত্রের ওপর ঢাকনা দিলে তাপ আটকে থাকে। এতে রান্নার সময় কমে এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। উন্মুক্ত পাত্রে রান্না করলে চুলা দীর্ঘ সময় চালু রাখতে হয়।
৪. পানি বা উপকরণ আগে গরম করুন
সেদ্ধ করার জন্য পানি বা তরল পদার্থ আগে অন্য পাত্রে গরম করা যেতে পারে। এতে চুলার সংযুক্তি কম সময়ের জন্য প্রয়োজন হবে।
৫. একসঙ্গে একাধিক রান্নার কাজ করুন
একবার চুলা গরম হলে একাধিক পাত্রে রান্না করতে পারেন। এতে চুলা বারবার চালু-বন্দ করার প্রয়োজন পড়ে না।
৬. বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পাত্র ব্যবহার করুন
যেসব পাত্র তাপ ধরে রাখে, তা ব্যবহার করলে রান্না দ্রুত হয়। বিশেষ কিছু স্টেইনলেস স্টীল বা অ্যালুমিনিয়াম পাত্র বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সহায়তা করে।
৭. চুলা ও তারের রক্ষণাবেক্ষণ করুন
চুলা পরিষ্কার ও সুসংরক্ষিত থাকলে কম বিদ্যুৎ লাগে। ধুলোময় বা অকেজো রেসিস্ট্যান্স চুলা বেশি শক্তি ব্যবহার করে। তাই নিয়মিত চুলা ও তার পরীক্ষা করুন।
৮. টাইমার বা অটোমেটিক ফিচার ব্যবহার করুন
যদি চুলায় টাইমার বা অটো-অফ ফিচার থাকে, তা ব্যবহার করুন। নির্দিষ্ট সময়ের পরে চুলা বন্ধ হলে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ খরচ বন্ধ হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


