গ্রীষ্মের আগমনে ঘরের ভেতরের তাপপ্রবাহ অনেক সময় সহ্য করা দায় হয়ে ওঠে। ভ্যাপসা গরমে স্বাভাবিক জীবনযাপনও কঠিন হয়ে যায়। এমন সময়ে ঘরে আরামদায়ক বাতাস দিতে সবচেয়ে কার্যকর হয় সিলিং ফ্যান। যদিও অনেকের পক্ষে এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার করা সম্ভব হয় না, কিন্তু ফ্যানের সাহায্যে ঘরের গরম নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

কিন্তু বেশিরভাগ সময় দেখা যায়, ফ্যান ঘুরছে ঠিকই, কিন্তু বাতাস আগের মতো জোরে পাওয়া যাচ্ছে না। ধীরগতিতে ঘুরতে ঘুরতে শুধু ঘরের বাতাসই ঘোরাচ্ছে, আর আরামদায়ক হাওয়া পৌঁছাচ্ছে না। দীর্ঘদিন ব্যবহারে এটি স্বাভাবিক সমস্যা। তবে কিছু সহজ কৌশল মেনে চললে পুরোনো ফ্যানও আবার নতুনের মতো দ্রুত ঘুরতে শুরু করতে পারে।
ফ্যানের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর কিছু উপায়:
১. ক্যাপাসিটর পরীক্ষা করুন
ফ্যান ধীর গতির প্রধান কারণ হলো পুরোনো বা দুর্বল ক্যাপাসিটর। প্রয়োজন হলে এটি পরিবর্তন করলে ফ্যান আগের মতো দ্রুত ঘুরতে পারে।
২. ধুলাবালি পরিষ্কার করুন
ফ্যানের ব্লেডে ধুলা জমলে ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং গতি কমে যায়। নিয়মিত ব্লেড পরিষ্কার করলে ঘূর্ণন স্বাভাবিক হয় এবং বাতাসও ভালোভাবে পাওয়া যায়।
৩. ঢিলা নাট-বল্টু ঠিক করুন
ফ্যানের স্ক্রু বা নাট ঢিলা হলে ঘূর্ণন বাধাগ্রস্ত হয়। মাঝে মাঝে সব অংশ পরীক্ষা করে ঢিলা অংশগুলো শক্ত করে নেওয়া উচিত।
৪. পাওয়ার সাপ্লাই চেক করুন
বিদ্যুতের ভোল্টেজ ওঠানামা করলে ফ্যানের গতি কমে যায়। যদি এমন সমস্যা থাকে, স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
৫. নিয়মিত সার্ভিস করান
দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে ফ্যানের ভেতরের গ্রিজ শুকিয়ে যায়। এতে ঘর্ষণ বেড়ে গতি কমে। সময়মতো সার্ভিস ও নতুন গ্রিজ লাগালে ফ্যান ভালোভাবে কাজ করবে।
৬. ফ্যানের সঠিক অবস্থান নির্ধারণ করুন
খোলা বা বাতাস চলাচলের জায়গায় ফ্যান বসালে বাইরের চাপের কারণে ঘূর্ণন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এছাড়া ধুলাবালি বেশি জমে কার্যক্ষমতা কমায়।
গরমের দিনে আরামদায়ক বাতাস পেতে ফ্যানের নিয়মিত যত্ন নেওয়া জরুরি। এই ছোট ছোট কৌশল মেনে চললে পুরোনো ফ্যানও আবার নতুনের মতো ঘুরবে এবং ঘরে মিলবে স্বস্তির বাতাস।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


