পবিত্র রমজানের প্রথম দিনেই রাজধানীর ফল ও খেজুরের দোকানগুলোতে দেখা গেছে ক্রেতাদের ভিড়। ইফতারকে সামনে রেখে দেশি-বিদেশি ফল কিনতে সকাল থেকেই বাজারমুখী হন নগরবাসী। তবে বাড়তি দামের কারণে কিছুটা অসন্তোষও দেখা গেছে ক্রেতাদের মধ্যে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন ফলের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় বেশ কিছু ফলের দাম বেড়েছে।
বিশেষ করে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ–এর সামনের গলির ফলের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল বেশি। ব্যবসায়ীরা জানান, চাহিদা বাড়ায় পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, ফলে খুচরা পর্যায়ে দাম কিছুটা বাড়ানো হয়েছে।
একজন বেসরকারি চাকরিজীবী মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “গত সপ্তাহে যে ফল কিনেছি, তার চেয়ে কেজিতে ২০-৩০ টাকা বেশি দিতে হয়েছে। রমজানের প্রথম দিন হওয়ায় চাহিদা বেশি, তাই দামও বেশি।”
ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি থাকলেও রমজানে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। ফল বিক্রেতা রমজান জানান, “পাইকারি বাজারে দাম বেশি। তাই আগের চেয়ে ১০-২০ টাকা বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।”
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ডালিম ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা।
গত সপ্তাহে ডালিমের দাম ছিল ৪৫০ ৪০০ টাকা। গোল্ডেন আপেল ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, একটু ভালোটা ৪২০ টাকা। গালা আপেল ৩৫০ টাকা। নাশপাতির দাম ৩০০ টাকা।
এছাড়াও আগের দামে বিক্রি হচ্ছে, আঙুর, কমলা ও ড্রাগন ফল।
প্রতি কেজি চায়না আঙুর ৫০০ টাকা, মোনাকা ও লাল আঙুর ৩৫০, সাদা আঙুর ৪০০ টাকা। বারোমাসি আম ২৫০ টাকা ও সাউথ আফ্রিকার কমলা ৩৫০ টাকা। পাশাপাশি পেয়ারা, পেঁপে ও ড্রাগনের মতো দেশে উৎপাদিত ফলের বাজারও চড়া। ড্রাগনের দাম কেজিপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, পেয়ারা ৯০ থেকে ১০০ টাকা, পেঁপে ১০০ টাকা, মাল্টা (দেশি) ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কলা (ডজন) ১০০ থেকে ১২০ টাকা।
রমজান উপলক্ষ্যে বরাবরের মতোই খেজুরের দোকানেও ছিল উপচে পড়া ভিড়। খেজুর ব্যবসায়ী শাহাবুদ্দিন জানান, গত কয়েক দিনে কার্টনপ্রতি ২০০–৩০০ টাকা দাম বেড়েছে। ফলে খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি ৪০–৫০ টাকা বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
বর্তমান বাজারে খেজুরের দাম (প্রতি কেজি) মেডজুল ১৪০০–১৪৫০ টাকা মরিয়ম ১১৮০–১২৫০ টাকা, আজওয়া ১০৫০ টাকা, মাশরুক সুগাই ৭০০–৮০০ টাকা, দাবাস ৯৫০ টাকা, জাহেদি ৪৬০–৪৮০ টাকা
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজানের শুরুতে চাহিদা বেশি থাকায় বাজারে দাম কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী। তবে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে আগামী দিনে বাজার স্থিতিশীল হতে পারে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


