গ্যাস বা অ্যাসিডিটির সমস্যা আমাদের অনেকেরই নিত্যদিনের পরিচিত। সাধারণত খাদ্যাভ্যাস থেকেই এই সমস্যা শুরু হয়। বাইরে ভাজাপোড়া, প্রোসেসড ফুড বা ফাস্টফুড এড়িয়ে চললেও কিছু খাবার আছে, যা অনেকে অজান্তেই খেয়ে বসে এবং গ্যাস বাড়ায়। ভারতীয় পুষ্টিবিদ তেজল ঘুলের পরামর্শ অনুযায়ী, নিচের খাবারগুলো থেকে সতর্ক থাকা উচিত:

১. বিনস (Beans)
বিনস খুব পুষ্টিকর হলেও এতে ফাইবারের পরিমাণ বেশি থাকে, যা গ্যাসের কারণ হতে পারে। তবে ভালোভাবে রান্না করলে গ্যাসের ঝুঁকি কমানো যায়।
২. ফুলকপি ও ব্রকোলি (Cauliflower & Broccoli)
এ ধরনের ক্রুসিফেরাস সবজিতে রাফিনোজ থাকে, যা হজমের সময় গ্যাস সৃষ্টি করতে পারে।
৩. গম থেকে তৈরি খাবার (Wheat-based foods)
গমের খাবারে গ্লুটেন বেশি থাকে। যাদের হজমে সমস্যা বা গ্যাসের প্রবণতা বেশি, তাদের জন্য এসব খাবার সীমিত করা ভালো।
৪. পেঁয়াজ (Onion)
পেঁয়াজে ফ্রুকটোজ নামের চিনি জাতীয় উপাদান থাকে, যা অনেকের পেটে হজম হয় না। সালাদ, ভাজা বা রান্নায় ব্যবহৃত পেঁয়াজ গ্যাস বাড়াতে পারে।
৫. রসুন (Garlic)
সব মানুষের ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি না করলেও কিছু ক্ষেত্রে রসুন অ্যালার্জি বা গ্যাসের কারণ হতে পারে।
৬. দুগ্ধজাত খাবার (Dairy products)
দুগ্ধজাত খাবারে ল্যাকটোজ থাকে, যা অনেকের সহ্য হয় না। এর ফলে গ্যাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৭. বার্লি (Barley)
বার্লিতে ফাইবারের পরিমাণ বেশি থাকে। হজমে অসুবিধা হলে এটি গ্যাস বাড়াতে পারে।
৮. শসা (Cucumber)
শসা সাধারণত হজমে সহায়ক হলেও নিজেই গ্যাসের সৃষ্টি করতে পারে। গ্যাসের সমস্যা থাকলে শসা খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
গ্যাস এড়াতে প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে এসব খাবারের পরিমাণ কমানো বা সচেতনভাবে খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক ফাইবার এবং ভিটামিন নষ্ট না করে, রান্না বা প্রস্তুতির পদ্ধতি পরিবর্তন করে অনেকাংশেই এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


