শরীর সুস্থ রাখতে সব ধরনের ভিটামিন ও খনিজ খুবই জরুরি। তার মধ্যে ম্যাগনেশিয়ামও রয়েছে। এই খনিজ শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়াতে বেশ কার্যকর। শরীরে এই খনিজের ঘাটতি থাকলে অনেক সময় মানসিক অবসাদেও ভুগতে হয়।

অনেকেই ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি পূরণে নিয়মিত সাপ্লিমেন্ট খান। চাইলে অনেক খাবারের মাধ্যমেই ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করা যায়। সাধারণত প্রতিদিন এক মুঠো কাঠবাদাম খেলেই ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি পূরণ হবে। এক মুঠো কাঠবাদামে প্রায় ৮০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায়। এছাড়াও কয়েক ধরনের খাবারে এই পুষ্টি পাওয়া যায়।
কুমড়োর দানা
ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি পূরণে এক চামচ কুমড়োর দানা খেতে পারেন। মাত্র ৫০ গ্রাম কুমড়োর দানায় ১৩১ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায়, যা কাঠবাদামের চেয়ে দ্বিগুণ। তা ছাড়া এই বীজে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়, যা হৃৎপিণ্ড ও মেটাবলিক স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।
পালংশাক
পালংশাকে ম্যাগনেশিয়ামের পাশাপাশি আয়রন, ক্যালশিয়াম এবং অন্যান্য ভিটামিন পাওয়া যায়। এক কাপ রান্না করা পালংশাকে প্রায় ১৫৭ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায়।
কালো রাজমা
যে কোনও ধরনের রাজমা, ডাল স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি মেটাতে কালো রাজমা খেতে পারেন। এক কাপ রান্না করা কালো রাজমার মধ্যে ১২০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায়। তা ছাড়া রাজমায় কাঠবাদামের মতো প্রোটিনও পাওয়া যায়।
ডার্ক চকোলেট
১ আউন্স বা ২৮ গ্রাম ডার্ক চকোলেটের মধ্যে ৬৫ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায়। তাই আমন্ড ও ডার্ক চকোলেট একসঙ্গে খেতে পারেন।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
ওটস
রোজ এক বাটি করে ওটস খেতে পারেন। এক কাপ রান্না করা ওটসের মধ্যে ৫৭-৬০ গ্রাম ম্যাগনেশিয়াম থাকে। ওটসের সঙ্গে আমন্ড, কুমড়োর দানা ইত্যাদি মিশিয়ে খেলে ম্যাগনেশিয়ামের পরিমাণও বাড়বে। তা ছাড়া এই খাবার সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


