স্বাস্থ্যকর ডায়েট থেকে সবার আগে বাদ যায় চিনি। শুধু তা-ই নয়, ফিট থাকতে চিনির সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করছেন বহু মানুষ। কিন্তু স্বাদের সঙ্গে সবসময়ে আপস করা যায় না। খাবারের স্বাদ ব্যালান্স করে লবণ-চিনিই।

তাই না চাইতেও মিষ্টি উপাদান রান্নাঘরে রাখতেই হবে।
তবে চিনি ছেড়ে অনেকেই স্বাস্থ্যকর বিকল্প বেছে নিচ্ছেন। কেউ গুড় বা জাগেরি পাউডার মেশাচ্ছেন খাবারে। কেউ ডেজার্ট তৈরি করছেন খেজুর দিয়ে।
দেখতে গেলে দুই উপাদানই প্রাকৃতিক। কিন্তু কোনটা বেশি স্বাস্থ্যকর, তা জানা বেশি দরকার। গুড় না খেজুর, কোনটা খেলে উপকার বেশি পাবেন? জেনে নিন।
গুড় নাকি খেজুর, কে এগিয়ে?
ডায়াবেটিস না থাকলে, খেজুর হোক বা গুড়, দুটোই নিশ্চিন্তে খাওয়া যায়।
রান্নায় চিনির বদলে গুড় ব্যবহার করতে পারেন। ওজন কমাতে চাইলে চিনির বদলে গুড় খাওয়া যায়। আর যারা ডায়েট মেনে, পরিমাপ বুঝে খাবার খান, তারা খেজুর রাখতে পারেন।
খেজুর হলো শুকনো ফল। স্বাভাবিক ভাবেই গুড়ের চেয়ে বেশি পুষ্টি রয়েছে খেজুরে।
ভিটামিন বি৬, কে, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ফাইবার রয়েছে। এ ছাড়াও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ। খেজুর শুধু যে ওজন কমায়, তা নয়। শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগায় এবং একাধিক শারীরিক সমস্যা প্রতিরোধ করে। ব্যালান্স ডায়েট মেনে চললে এবং পরিমাপ বুঝে খাবার খেলে গুড় ও খেজুর দুটোই খাওয়া যায়।
দিনে কতটুকু পরিমাণে গুড় খাওয়া উচিত?
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে দিনে এক থেকে দেড় চামচ গুড় খেতে পারেন। এর চেয়ে বেশি গুড় খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। তা ছাড়া ক্যালোরিও বেশি প্রবেশ করবে। যাদের রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম, তাদের জন্য গুড় খুব উপযোগী। এই উপাদান আয়রনে ভরপুর।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
দিনে কতটুকু পরিমাণে খেজুর খাওয়া উচিত?
স্ন্যাকস হিসেবে খেজুর খেতে পারেন। খিদের মুখে দুটি খেজুর খেলেই পেট ভরে যাবে। ওজন কমাতে চাইলে সকালবেলা দুটি খেজুর খাওয়াই যথেষ্ট। ওয়ার্ক আউটের পরে খেজুর খেলে সবচেয়ে ভালো উপকার মেলে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


