রমজান মাসে দীর্ঘ সময় উপবাসের পরই ধূমপান করলে স্বাস্থ্যের ওপর বিপজ্জনক প্রভাব পড়ে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, ইফতারের সঙ্গে ধূমপান করলে শরীর একসঙ্গে দুই বিপরীত সংকেত পায় – একদিকে পুষ্টির চাহিদা, অন্যদিকে বিষাক্ত ধোঁয়া। এতে যে ঝুঁকিগুলো তৈরি হয়, তা হলো:

১. হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি
দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর হঠাৎ নিকোটিন গ্রহণে রক্তনালী সংকুচিত হয়, রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক গুণ বাড়ে।
২. অক্সিজেনের ঘাটতি
ধূমপানের কারণে কার্বন মনোক্সাইড রক্তে মিশে অক্সিজেন সরবরাহ কমায়। ফলে শরীরের কোষগুলো যথেষ্ট অক্সিজেন পায় না এবং দুর্বল হয়ে পড়ে।
৩. পাকস্থলীর সমস্যা
খালি পেটে ধূমপান করলে নিকোটিন পাকস্থলীর আস্তরণ উত্তেজিত করে, যার ফলে অ্যাসিড নিঃসরণ বাড়ে। ফলশ্রুতিতে গ্যাস্ট্রাইটিস, অম্বল বা হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৪. মস্তিষ্কের ওপর প্রভাব
উপবাসের পর হঠাৎ ধূমপান করলে নিকোটিন দ্রুত মস্তিষ্কে পৌঁছে মাথা ঘোরা, বমিভাব বা সাময়িক অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইফতার হলো শরীরকে পুনরুদ্ধারের সময়। ঠিক সেই সময়ে ধূমপান করলে শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। তাই রমজানকে ধূমপান বন্ধ করার সূচনা হিসেবে নিলে স্বাস্থ্যগত উপকারও পাবেন, শুধু আধ্যাত্মিক লাভ নয়।
সূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন, সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন, ইস্তানবুল ব্রেন হসপিটাল
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


