লা লিগার গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে ২–১ গোলের পরাজয়ের মুখে পড়েছে বার্সেলোনা। বৃষ্টিভেজা রিয়ালে আরেনায় এই হারের মধ্য দিয়ে থেমে যায় কাতালানদের টানা ১১ ম্যাচের জয়রথ। ফলে লিগ টেবিলের শীর্ষে তাদের ব্যবধান কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র এক পয়েন্টে।

এর আগে লেভান্তের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বার্সেলোনার ওপর চাপ তৈরি করেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। সেই চাপ নিয়েই মাঠে নামে জাভি শিষ্যরা। তবে ম্যাচজুড়ে দুর্ভাগ্য যেন পিছু ছাড়েনি—চারবার বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে, বাতিল হয় দুটি গোলও।
নতুন মার্কিন কোচ পেলেগ্রিনো মাতারাজ্জোর অধীনে রিয়াল সোসিয়েদাদ এই জয়ের মাধ্যমে টানা চার ম্যাচে অপরাজিত থাকার কীর্তি গড়ল। শেষ দিকে কার্লোস সোলের লাল কার্ড দেখলেও জয় ধরে রাখতে কোনো সমস্যা হয়নি স্বাগতিকদের।
ম্যাচের শুরু থেকেই উত্তেজনার ঘাটতি ছিল না। মাত্র ৩০ সেকেন্ডেই মিকেল ওইয়ারসাবালের গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। জবাবে বার্সেলোনার হয়ে ফেরমিন লোপেজ দূরপাল্লা থেকে জাল কাঁপালেও দানি ওলমোর ফাউলের কারণে সেটিও বৈধতা পায়নি।
ডান প্রান্ত দিয়ে লামিন ইয়ামাল বারবার আক্রমণ তৈরি করলেও সফলতার দেখা পাননি। তার একটি গোলও বাতিল হয়। খেলার গতির বিপরীতে প্রথম গোল আদায় করে নেয় সোসিয়েদাদ। গনসালো গুয়েদেসের নিখুঁত ক্রসে ভলিতে গোল করেন ওইয়ারসাবাল।
বিরতির ঠিক আগে ইয়ামালের ওপর ফাউলে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত এলেও ভিএআর পর্যালোচনায় অফসাইড ধরা পড়ায় তা বাতিল করা হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের গতি আরও বাড়ায় বার্সেলোনা। একের পর এক সুযোগ নষ্ট হয়, আর গোলরক্ষক অ্যালেক্স রেমিরো অসাধারণ সেভে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন। পোস্ট ও ক্রসবার বারবার বাধা হয়ে দাঁড়ায় কাতালানদের সামনে।
৭০ মিনিটে ইয়ামালের ক্রস থেকে হেডে গোল করে সমতা ফেরান মার্কাস রাশফোর্ড। কিন্তু সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়ার ভুলে ফিরতি বল থেকে গোল করে আবারও দলকে এগিয়ে দেন গুয়েদেস।
শেষ মুহূর্তগুলোতে মরিয়া চেষ্টা চালায় বার্সেলোনা। যোগ করা সময়ে সরাসরি কর্নার থেকে রাশফোর্ডের শটও পোস্টে লেগে ফিরে আসে। শেষ পর্যন্ত ২–১ গোলের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বার্সেলোনাকে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


