লাইফস্টাইল ডেস্ক : শীতের দিনে সেমাই-পায়েস বানাতে কিংবা শুধু মুড়ির সঙ্গে গুড় খেতে অনেকেই পছন্দ করি। তবে অন্যান্য অনেক খাবারের মতোই বাজারে নকল ও ভেজাল গুড় পাওয়া যায়। যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। বেশির ভাগ সময়ই আমরা খাঁটি গুড় কিনতে গিয়ে রাসায়নিক মেশানো ভেজাল গুড় কিনে বাসায় নিয়ে যাই।
এতে খাবারের স্বাদ যেমন নষ্ট হয়, তেমনি কমে পুষ্টি উপাদানও। আজকের প্রতিবেদনে জানাব খাঁটি গুড় চেনার কিছু উপায়। চলুন, জেনে নেওয়া যাক। গুড় কেনার সময় শক্ত দেখেই তবে কিনবেন। তাহলেই বুঝবেন সেটি খাঁটি।
একবার চেখে দেখবেন। যদি নোনতা লাগে, তাহলে বুঝবেন সেই গুড়ে ফিটকিরি মেশানো আছে। তাই এটি ভেজাল।
তেতো স্বাদযুক্ত গুড় না কেনাই ভালো। কারণ সেটি অনেকক্ষণ ধরে জ্বাল করা হয়। এই গুড় দিয়ে মিষ্টি বানালে মিষ্টির স্বাদ পরিবর্তন হতে পারে।
গাঢ় বাদামি রং দেখে কিনবেন। কারণ এটি আসল গুড় হয়। বেশি হলদে রঙের গুড় ভেজাল হয়। গুড় বেশি চকচক করলে বুঝবেন তাতে বেশি চিনি মেশানো আছে।
গুড়ের উপকারিতা-
চিনির চেয়ে অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর হলো গুড়। এতে ফসফরাস, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম জাতীয় খনিজ থাকে। চায়ে গুড় মিশিয়ে খেলে সারা দিনের হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয়। এ ছাড়া গুড়ের আরো কিছু উপকারিতা আছে। সেগুলো হচ্ছে-
যারা রক্ত স্বল্পতায় ভুগছেন, তাদের রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়াতে গুড় খুব উপকারী।
কোল্ড অ্যালার্জি থেকে দূরে রাখে।
ওজন কমাতেও সাহায্য করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
গুড়ে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, এটি ত্বক সতেজ রাখে।
তবে ডায়াবেটিস থাকলে চিনির বিকল্প হিসেবে গুড় নয়, সুগার-ফ্রি ক্যাপসুল, স্টেইভা ব্যবহার করতে হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।