প্রথমার্ধে দারুণ খেলেছে সেনেগাল, আর কিছুটা পিছিয়ে ছিল ফ্রান্স। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে যায়। ম্যাচের শেষ দিকে এসে রোমাঞ্চ চরমে ওঠে এবং শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলে জয় পায় ফ্রান্স।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শুরু থেকেই সেনেগাল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও ফ্রান্স ছিল কিছুটা ছন্নছাড়া। প্রথমার্ধে তারা প্রায় ২০ মিনিট পর্যন্ত কোনো শটই নিতে পারেনি। অন্যদিকে সেনেগাল কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি।
২৫ মিনিটে বড় সুযোগ পেয়েছিল সেনেগাল। ডিওফের অসাধারণ থ্রু পাস থেকে জ্যাকসন একা গোলের দিকে এগিয়ে গিয়ে শট নিলেও বল পোস্টে লেগে ফিরতি আঘাতে কর্নারের মাধ্যমে বেঁচে যায় ফ্রান্স। প্রথমার্ধে সাদিও মানে ও সেনেগালের আরও কিছু আক্রমণ থাকলেও গোল হয়নি।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফিরে আসে ফ্রান্স। ৫৪ মিনিটে মাইকেল ওলিসে এবং ৬৬ মিনিটে কিলিয়ান এমবাপে একাধিক সুযোগ তৈরি করেন। শেষ পর্যন্ত ৬৬ মিনিটে ওলিসের নিখুঁত পাস থেকে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপে।
দুই মিনিট পরই সমতায় ফিরতে পারতো সেনেগাল, তবে নিকোলাস জ্যাকসনের গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ফ্রান্সের হাতে চলে যায়।
৮২ মিনিটে ব্র্যাডলি বারকোলার দারুণ ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ফ্রান্স। ইনজুরি সময়ের পঞ্চম মিনিটে সেনেগাল একটি গোল শোধ করলেও পরের মিনিটেই আবারও জ্বলে ওঠেন এমবাপে। বক্সের বাইরে থেকে তার জোরালো শটে নিশ্চিত হয় ফ্রান্সের জয়।
শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স। জোড়া গোল করে দলের জয়ের নায়ক হন কিলিয়ান এমবাপে। দ্বিতীয়ার্ধের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে তারা ম্যাচে ফিরে এসে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



