পটুয়াখালীতে মক্তবে পড়তে আসা এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার সময় এক মসজিদের ইমামকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে থানা হেফাজতে নিয়েছে। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই মক্তবে পড়তে আসা শিশুদের ওপর যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ছিলো বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা।

শনিবার (২৩ মে) সকালে জেলার কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানার দিয়ার আমখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আটক ইমামের নাম বেল্লাল হোসেন। কলাপাড়ার দিয়ার আমখোলা গ্রামের একটি মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন আসছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, সকালে একটি শিশুকে নির্যাতনের ভিডিও চিত্র তারা ধারণ করেন। এসময় তাৎক্ষণিক ইমামের ঘরের দরজার টোকা দেওয়া হয়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও এসেছে একাত্তরের হাতে। ভিডিওতে শিশুটিকে বলতে শোনা যায়, হুজুর আমাকে প্যান্ট খুলতে বলেছিলো।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই মসজিদের মক্তবে পড়তে আসা শিশুদের তিনি দীর্ঘদিন ধরে যৌন নিপীড়ন চালিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সকালে মক্তবে এক শিশুকে একইভাবে নির্যাতন চালানোর সময় অন্য এক শিশুর অভিভাবক ও এলাকার লোকজন তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাকে গণধোলাই দেন। খবর পেয়ে মহিপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে।
মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শামিম হোসেন জানান, এক শিশুর অভিভাবকের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বেল্লাল হোসেনকে আটক করা হয়েছে। তাকে গণধোলাই দেওয়া হয়েছিলো, তাই উদ্ধারের পর প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত ওই ইমামের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



