বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, মতপার্থক্য থাকা স্বত্ত্বেও যেন তা মতবিভেদে পরিণত না হয়, তাই সমস্যা সমাধানের জন্য আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজের প্রথম বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ৫ আগস্টের আগে ফিরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই, এবং দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে রক্ষা করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তারেক রহমান জোর দিয়ে বলেন, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য, এবং দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের গণতন্ত্রের পথ সুগম হবে।
চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে নারীর, কৃষকের, প্রবাসী ও তরুণদের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে, এবং গণমাধ্যমকর্মীদেরও দেশ পুনর্গঠনে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিএনপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন—মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান, স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম), আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন, যুগ্ম মহাসচিব ড. হুমায়ূন কবির, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দীন অসীম ও চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।
প্রায় ৩০০–৩৫০ জন জাতীয় ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক ও সম্পাদক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


