বলিউডের অন্যতম সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রীদের একজন শ্রদ্ধা কাপুর। এই অভিনেত্রী সম্প্রতি মুম্বাইয়ের অভিজাত এলাকা জুহুতে একটি বিলাসবহুল বাড়ি ভাড়া নিয়েছেন। নিজের বাড়ি থাকা সত্ত্বেও নতুন এই ঠিকানাকেই বেছে নেওয়ায় ভক্তদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

নতুন চুক্তি অনুযায়ী, প্রায় ৩,৯২৯ বর্গফুট আয়তনের এই বাড়ির জন্য তাকে প্রতি মাসে ৬ লাখ টাকা ভাড়া গুনতে হবে। সে হিসাবে বছরে মোট ভাড়ার পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ৭২ লাখ টাকা।
ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য, জুহু মুম্বাইয়ের অন্যতম অভিজাত ও নিরাপদ আবাসিক এলাকা হিসেবে পরিচিত। সমুদ্রমুখী বাড়ি, কড়া নিরাপত্তা এবং বিলাসবহুল পরিবেশ—সব মিলিয়ে তারকাদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে এই এলাকা। এখানে বসবাস করেন বলিউডের বহু মহাতারকা, যেমন— অমিতাভ বচ্চন, অক্ষয় কুমার, অজয় দেবগন ও হৃতিক রোশন।
বলিউড তারকাদের মধ্যে ভাড়া বাড়িতে থাকার প্রবণতা নতুন নয়। এর আগে অভিনেতা ইমরান খান মাসে ৯ লাখ টাকা ভাড়ায় একটি ফ্ল্যাট নিয়েছিলেন। এমনকি রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোন মাসে ৭ লাখ টাকা ভাড়ায় বাড়ি নিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন।
শ্রদ্ধা কাপুর সাধারণত বেছে বেছে সিনেমায় অভিনয় করেন। ২০২৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তার ছবি স্ত্রী ২ বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। এরপর এখন পর্যন্ত তার নতুন কোনো সিনেমা মুক্তি পায়নি।
সব মিলিয়ে বলা যায়, বিলাসবহুল পরিবেশ, নিরাপত্তা এবং তারকাসুলভ জীবনযাপনের সুবিধার কথা বিবেচনা করেই হয়তো নতুন ভাড়া বাড়িতে উঠেছেন শ্রদ্ধা কাপুর।
নারী ও শিশুর নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা কর্মীরা। একই সঙ্গে আসামিদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে সংগঠনটির নেত্রীরা এসব দাবি তুলে ধরেন। সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, নির্বাচনের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।
বক্তারা বলেন, সংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্বের জায়গা থেকে রাষ্ট্রকে নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। তারা দাবি করেন, প্রভাবশালী কোনো মহল যাতে অপরাধীদের রক্ষা করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসনকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।
সমাবেশে আরও বলা হয়, অনেক ক্ষেত্রে নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে থানায় গেলে মামলা নিতে গড়িমসি করা হয়। এ ধরনের আচরণ বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানান বক্তারা। সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা গেলে অপরাধ প্রবণতা কমবে এবং সাধারণ মানুষ আস্থা ফিরে পাবে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে ১০ দফা দাবি উপস্থাপন করে সহকারী সম্পাদক মার্জিয়া বেগম বলেন, নারী ও শিশুর নিরাপত্তায় কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি নীতি প্রণয়ন, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় সন্ত্রাস বন্ধ, নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিতকরণ এবং দায়িত্বে অবহেলা করলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।
বক্তারা বলেন, “রাষ্ট্র যদি সময়মতো কঠোর পদক্ষেপ নেয়, তাহলে অপরাধীরা আর সাহস পাবে না। ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলেই সমাজে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফিরবে।”
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
সমাবেশ শেষে সংগঠনের নেত্রীরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। মানবতা ও ন্যায়ের পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে কর্মসূচি শেষ করা হয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


