সৌদি আরব অবৈধ হজযাত্রীকে আশ্রয় দেওয়া বা সহায়তা করার ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির বিধান করেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এ ধরনের কাজে জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ ১ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হতে পারে।

দেশটির ওকাজ পত্রিকার বরাতে গালফ নিউজ জানিয়েছে, সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হজ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈধ হজ পারমিট ছাড়া কেউ হজ পালন করলে অথবা ভিজিট ভিসা নিয়ে হজ করার চেষ্টা করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। একই সঙ্গে যারা এসব কাজে সহায়তা করবে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই নিয়ম ১৮ এপ্রিল থেকে জুন মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত কার্যকর থাকবে, অর্থাৎ হজ মৌসুমের সর্বাধিক ভিড়ের সময়েই এটি প্রযোজ্য হবে।
নতুন বিধান অনুযায়ী, অনুমতি ছাড়া হজ করার চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হবে। ভিজিট ভিসায় এসে নিষিদ্ধ সময়ে মক্কায় প্রবেশ বা অবস্থান করলেও একই জরিমানা প্রযোজ্য হবে।
এর পাশাপাশি যারা অবৈধ হজযাত্রীদের আশ্রয় দেবে—যেমন ভিসা ব্যবস্থা করা, যাতায়াতের জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করা, কিংবা হোটেল বা বাসস্থানে থাকার সুযোগ করে দেওয়া—তাদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১ লাখ রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। এমনকি ব্যক্তিগত বাসায় আশ্রয় দিলেও একই শাস্তি প্রযোজ্য হবে। একাধিক ব্যক্তিকে সহায়তা করলে জরিমানার পরিমাণ আরও বাড়বে।
কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে বা অনুমতি ছাড়া মক্কায় অবস্থান করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে এবং ১০ বছরের জন্য সৌদি আরবে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে। প্রয়োজনে অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহনও জব্দ করা হতে পারে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সবাইকে হজের নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম দেখা গেলে তা কর্তৃপক্ষকে জানানোর অনুরোধ করেছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


