আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেশে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চাঁদাবাজি বেড়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ।

আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অডিটোরিয়ামে ডিসিসিআই আয়োজিত ‘বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন সরকারের কাছে ঢাকা চেম্বারের প্রত্যাশা’ বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে ডিসিসিআই সভাপতি এসব কথা বলেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দেশে চাঁদাবাজি বেড়ে যাওয়ার তথ্য তুলে ধরে ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগে যে হারে চাঁদা দিতে হতো, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে একই হারে চাঁদা দিতে হয়েছে। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চাঁদাবাজি বেড়েছে।
চাঁদাবাজি কারা করছে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের লোকজন, পুলিশ ও রাজস্ব কর্মকর্তাসহ অনেকেই চাঁদাবাজি করেন। কারা চাঁদাবাজি করছে, সেটা সরকারকে বের করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, তারা এসে বলে, আমরা সরকারি দলের লোক। যখনই যে সরকার আসে, তখনই বলে আমরা সরকারি দলের লোক; আমাদের চাঁদা দিতে হবে। আমাদের এই অনুষ্ঠান আছে, পাড়ার এই চাঁদা দিতে হবে।
‘চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি আমাদের রক্তে মিশে গেছে। চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে আমরা ব্যবসা বন্ধ করে চলে যাবো’—বলেন ডিসিসিআই সভাপতি।
তিনি বলেন, কারখানায় ঢুকতেও চাঁদা দিতে হয়। অফিস ও রাস্তায় চাঁদা দিতে হয়। চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধে আমরা নতুন সরকারের কাছ থেকে কড়া বার্তা প্রত্যাশা করছি।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
তাসকীন আহমেদ বলেন, ব্যবসায়ী মহল চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। জনগণও চাঁদাবাজি চায় না। চাঁদাবাজিতে বাধা দিতে গিয়ে গোলাগুলিও হচ্ছে। জনগণ চাচ্ছে এই সরকার যেন চাঁদাবাজি বন্ধ করে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


