প্রতিবেশী এক যুবকের সঙ্গে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করায় ক্ষুব্ধ হন মেয়ের বাবা-মা। তারা থানায় এ নিয়ে মামলাও করেন। এরপর মেয়ে ও তার স্বামীকে যখন পুলিশ থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসে, তখন সেই থানার ভেতর ও পুলিশের সামনেই মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছেন বাবা-মা।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের বন্দা বিভাগে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি রোববার (১৪ জুন) জানিয়েছে, ১৯ বছর বয়সী শিবানি নামে এক তরুণী তার প্রতিবেশী ললিত ভার্মার সঙ্গে গত ১৮ মে পালিয়ে যায়। এরপর তারা একটি মন্দিরে বিয়ে ও রেজিষ্ট্রি করেন।
কিন্তু মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে শিবানির বাবা-মা ললিত ভার্মার বিরুদ্ধে মামলা করেন। গত শুক্রবার পুলিশ মধ্যপ্রদেশের সাতনাতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বন্দা থানায় নিয়ে আসে।
ওই যুগল পুলিশকে জানায় তারা স্বেচ্ছায় বিয়ে করেছে এবং বিয়ের প্রমাণও দেখায়।
যখন পুলিশ শিবানির মেডিকেল পরীক্ষা এবং তার জবানবন্দি নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল তখন তার বাবা-মা থানায় উপস্থিত হন। তারা মেয়েকে বাড়িতে ফিরে যাওয়ার জন্য বোঝাতে থাকেন। কিন্তু শিবানি তার স্বামীর সঙ্গে থাকতেই জোর দেন।
এ সময় তাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। তখন শিবানির মা শিবানিকে পেছন থেকে চেপে ধরেন এবং তার বাবা তার শরীরে ছুরি দিয়ে একাধিক আঘাত করেন। এ ঘটনা দেখে থানার পুলিশ হতবিহ্বল হয়ে পড়ে। তখন শিবানিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
এ ঘটনায় শিবানির বাবাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বন্দা পুলিশ সুপার পলাশ বনশাল। সূত্র: এনডিটিভি
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



