পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় শাহাদাৎ হোসেন বাপ্পি (২৭) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ১০টার দিকে ভান্ডারিয়া পৌরসভার কানুয়া মহল্লার শ্বশুরবাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত বাপ্পি উপজেলার ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর শিয়ালকাঠী গ্রামের শহিদ হাওলাদারের ছেলে।
পরিবারের বরাত দিয়ে জানা যায়, স্ত্রীর বিদেশ যাত্রা ও পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে দম্পতির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি এ বিরোধ আরও তীব্র হয়। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে একাধিকবার মনোমালিন্যও হয় বলে জানা গেছে।
স্ত্রী হাফিজা আক্তার মীম জানান, সোমবার রাতে খাওয়াদাওয়া শেষে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। রাতের কোনো এক সময় তিনি ঘুম থেকে উঠে বাপ্পিকে ঘরে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখেন বলে দাবি করেন তিনি। এরপর তিনি বাপ্পির মরদেহ নিচে নামিয়ে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন।
অন্যদিকে নিহতের মা রুবী বেগম এ ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছেন। তার অভিযোগ, ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা চলছে এবং বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত প্রয়োজন।
ভান্ডারিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রত্নেশ্বর কুমার মণ্ডল জানিয়েছেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্টের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে—এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো ঘটনা।
পুলিশ বলছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



