নির্বাচন কমিশন (ইসি) রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে রমজানের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করার প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে। তবে বর্তমানে পদ শূন্য না থাকায় ভোট কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি নিজেই বিভিন্ন মিডিয়ায় পদ শূন্যের কথা বলেছেন। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও নানা আলোচনা চলছে। তাই কমিশন আগে থেকে প্রস্তুতি নিচ্ছে, যাতে পদ শূন্য হলে দ্রুত নির্বাচন করা যায়।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “একটা নির্বাচন হুট করে করা যায় না। তাই আমরা আগে থেকে প্রস্তুত থাকছি। যদি কোনো কারণে পদ শূন্য হয়, আমাদের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে সংসদে কোনো আসন খালি হলে তারও উপ-নির্বাচন করতে হতে পারে।”
রাষ্ট্রপতি পদ সংক্রান্ত সংবিধান অনুযায়ী, কার্যভার গ্রহণের তারিখ থেকে পাঁচ বছরের মেয়াদ থাকে। তবে মেয়াদ শেষ হলেও উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদে বহাল থাকবেন। রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারবেন। এছাড়া শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের কারণে সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে রাষ্ট্রপতি অপসারিত হতে পারেন।
পদ শূন্য হলে বা রাষ্ট্রপতি অনুপস্থিত থাকলে স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্রে একজন সংসদ সদস্যের প্রস্তাবক ও একজন সমর্থকের স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক। ভোটার হিসেবে শুধুমাত্র সংসদ সদস্যরা অংশগ্রহণ করবেন।
নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ, ভোট গ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে পরিচালনা করবে। ফলাফল ঘোষণায় কমিশনের ঘোষণাই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
সুতরাং রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হলে ইসি দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে, যাতে দেশের শাসন ব্যবস্থায় কোনো খালি আসন বা সংবিধানগত জটিলতা না দেখা দেয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


