
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে জাতীয় স্তরে রূপরেখা তৈরির কাজে যুক্ত ছিলেন শ্রীরাম কৃষ্ণন। শুধু তাই নয়, এআই-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং সরকারি নীতিনির্ধারণেও তার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে শ্রীরাম শুধু লিখেছেন, ‘চলতি মাসের শেষে হোয়াইট হাউজে আমার দায়িত্ব শেষ হবে। কিছুটা বিরতি নেওয়ার পর আমেরিকার সামনে থাকা এআই-সংক্রান্ত বড় চ্যালেঞ্জগুলোর সমাধানে কাজ করতে চাই।’ আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স সংস্থাগুলোতে সরকারের সরাসরি অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয় নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন।
ঠিক তখনই শ্রীরামের পদত্যাগের খবর সামনে এলো। শুক্রবার সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘আমেরিকার জনগণের স্বার্থ রক্ষা করাই আমাদের উদ্দেশ্য।’ আগামী সপ্তাহে একাধিক আর্টিফিশিয়াল সংস্থার শীর্ষ কর্তার সঙ্গে তিনি বৈঠক করতে পারেন বলেও জানা গেছে। তবে পদত্যাগ করলেও শ্রীরাম বাইরে থেকে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন বলে দাবি করেছেন হোয়াইট হাউজের এআই ও ক্রিপ্টো বিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তা ডেভিড স্যাক্স। টেসলা ও স্পেসএক্সের সিইও ইলন মাস্কও তার কাজের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘প্রযুক্তির দুনিয়ায় শ্রীরামের অবদান অনস্বীকার্য।’ —দ্য হিল
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



