শরীরের গঠন, মাসিক ও গর্ভধারণের কারণে বেশি আয়রনের প্রয়োজন হয়। মাসিক ও গর্ভাবস্থার সময় নারীরা নিয়মিত আয়রন হারান। পুষ্টিবিদদের মতে, ১৯ থেকে ৫০ বছর বয়সী নারীদের দৈনিক প্রায় ১৮ মিলিগ্রাম আয়রন প্রয়োজন। যেখানে পুরুষদের প্রয়োজন মাত্র ৮-১০ মিলিগ্রাম। অর্থাৎ পুরুষের চেয়ে নারীদের দৈনিক ৮-১০ মিলিগ্রাম আয়রন বেশি প্রয়োজন।

নারীদের শরীরের গঠন, মাসিক ও গর্ভধারণের কারণে পুরুষের তুলনায় বেশি আয়রনের প্রয়োজন হয়।
কেন নারীদের বেশি আয়রন লাগে
১. মাসিকের সময় রক্তক্ষয়
প্রতি মাসে রক্তক্ষয়ের মাধ্যমে শরীর থেকে আয়রন বের হয়ে যায়, তাই ঘাটতির ঝুঁকি বেশি থাকে। কেবল এ কারণেই প্রতিদিন পুরুষের চেয়ে নারীর প্রায় দ্বিগুণ আয়রন প্রয়োজন।
২. গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো
গর্ভাবস্থায় শিশুর বৃদ্ধি ও রক্ত তৈরির জন্য অতিরিক্ত আয়রন দরকার হয়। সন্তান জন্ম দেয়ার সময় রক্তক্ষয়ের কারণে মায়ের শরীরে আয়রনের ঘাটতি থাকতে পারে। যদিও বুকের দুধে খুব বেশি আয়রন যায় না। তবে সন্তান জন্ম দেয়ার পর মায়ের আগের শক্তি ফিরে পেতে, রক্তস্বল্পতা (অ্যানিমিয়া) প্রতিরোধে ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতার জন্য আয়রন দরকার হয়।
৩. হরমোনের কারণ
নারীদের শরীরে হরমোনের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আয়রনের চাহিদাও ওঠানামা করে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
আয়রন প্রয়োজনের তুলনায় কম হলেও সমস্যা, আবার বেশি হলেও ক্ষতি হতে পারে। তাই নিজে নিজে সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়াই ভালো। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, সচেতনতা ও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা নারীদের আয়রনের ঘাটতি থেকে সুরক্ষিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


