জুমবাংলা ডেস্ক : টেকনোক্র্যাট (সংসদ সদস্য নন এমন) মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা পদত্যাগ করেছেন। রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেন তারা।

Advertisement

পদত্যাগ করা মন্ত্রীরা হলেন- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম যুগান্তরকে বলেন, নিয়মতান্ত্রিকভাবে পদত্যাগ করেছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে টেকনোক্র্যাট প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচনের আগে পদত্যাগ করতে হয়েছে। এটা নিয়মতান্ত্রিক বিষয়। এর চেয়ে বেশি কিছু এই মুহূর্তে বলতে পারছি না।

আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চাঁদপুর-২ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দেব।

এদিকে পদত্যাগকারী প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা হলেন- ড. গওহর রিজভী, তারিক আহমেদ সিদ্দীক, ড. মসিউর রহমান, ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী ও সজীব ওয়াজেদ জয়।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করা ড. মসিউর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, মন্ত্রিপরিষদ ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের মধ্যে যারা সংসদ সদস্য নন, তাদের পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

২০১৮ সালে ৬ নভেম্বর টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীরা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। ওই বছর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করা হয় ৮ নভেম্বর। নির্বাচন কমিশন এবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করেছে ১৫ নভেম্বর। চার দিনের মাথায় ১৯ নভেম্বর টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের পদত্যাগের খবর পাওয়া গেল।

প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ৪৮ জন।প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ২৫ জন মন্ত্রী, ১৯ প্রতিমন্ত্রী এবং ৩ উপমন্ত্রী মন্ত্রিসভায় রয়েছেন।তাদের মধ্যে তিনজনের পদত্যাগের ফলে মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা এখন ৪৫।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.