Close Menu
Zoom Bangla News
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • শিক্ষা
  • আরও
    • লাইফস্টাইল
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • বিভাগীয় সংবাদ
    • অন্যরকম খবর
    • অপরাধ-দুর্নীতি
    • পজিটিভ বাংলাদেশ
    • আইন-আদালত
    • ট্র্যাভেল
    • প্রশ্ন ও উত্তর
    • প্রবাসী খবর
    • আজকের রাশিফল
    • মুক্তমত/ফিচার/সাক্ষাৎকার
    • ক্যাম্পাস
    • Jobs
    • জমিজমা সংক্রান্ত
Facebook X (Twitter) Instagram
Zoom Bangla News
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • শিক্ষা
  • আরও
    • লাইফস্টাইল
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • বিভাগীয় সংবাদ
    • অন্যরকম খবর
    • অপরাধ-দুর্নীতি
    • পজিটিভ বাংলাদেশ
    • আইন-আদালত
    • ট্র্যাভেল
    • প্রশ্ন ও উত্তর
    • প্রবাসী খবর
    • আজকের রাশিফল
    • মুক্তমত/ফিচার/সাক্ষাৎকার
    • ক্যাম্পাস
    • Jobs
    • জমিজমা সংক্রান্ত
Zoom Bangla News
Home আন্তর্জাতিক রাশিয়ার হাতে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় পারমাণবিক যন্ত্র, নির্দেশ ছাড়াই ধ্বংস করতে পারে পৃথিবীকে
আন্তর্জাতিক

রাশিয়ার হাতে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় পারমাণবিক যন্ত্র, নির্দেশ ছাড়াই ধ্বংস করতে পারে পৃথিবীকে

By Shamim Rezaজানুয়ারি 11, 20267 Mins Read

পারমাণবিক অস্ত্রের যুগে মানবসভ্যতার সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা যে ভয়ের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, তার নাম পারমাণবিক প্রতিরোধ। এই প্রতিরোধের সবচেয়ে অন্ধকার প্রতীক হিসেবে বহু বছর ধরে আলোচনায় রয়েছে রাশিয়ার ‘ডেড হ্যান্ড’ ব্যবস্থা, যার প্রকৃত নাম পেরিমিটার। পশ্চিমা বিশ্লেষণে একে এমন এক স্বয়ংক্রিয় পারমাণবিক যন্ত্র হিসেবে তুলে ধরা হয়, যা মানুষের কোনো নির্দেশ ছাড়াই পৃথিবীকে ধ্বংস করতে পারে।

পারমাণবিক যন্ত্র

Advertisement

বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার পারমাণবিক হুমকি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ‘ডেড হ্যান্ড’ আবারও বৈশ্বিক আলোচনায় ফিরে এসেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো- এই ভয়াবহ ধারণা কতটা বাস্তব, আর কতটা মিথ? এই এক্সপ্লেইনারে রাশিয়ার ‘ডেড হ্যান্ড’-এর উৎপত্তি, কার্যপ্রণালি, উদ্দেশ্য, বিতর্ক এবং যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক ব্যবস্থার সঙ্গে তুলনামূলক বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে।

শীতল যুদ্ধের আতঙ্ক ও পেরিমিটারের জন্ম
পেরিমিটার সিস্টেমকে বুঝতে হলে ফিরে যেতে হবে শীতল যুদ্ধের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ সময়গুলোতে। ১৯৭০ ও ৮০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা চরমে পৌঁছায়। উভয় পক্ষই একে অপরকে নিশ্চিহ্ন করার মতো অস্ত্রভাণ্ডার গড়ে তোলে। এই সময় সোভিয়েত নেতৃত্বের মধ্যে একটি গভীর আশঙ্কা জন্ম নেয়, আর তা হলো- যুক্তরাষ্ট্র যদি হঠাৎ একটি নিখুঁত ‘ডিক্যাপিটেশন স্ট্রাইক’ চালায়, অর্থাৎ এমন পারমাণবিক হামলা করে, যাতে সোভিয়েত ইউনিয়নের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব, কমান্ড সেন্টার এবং যোগাযোগব্যবস্থা একসঙ্গে ধ্বংস হয়ে যায়, তাহলে পাল্টা আঘাত করার সুযোগই আর থাকবে না।

এই ভয় থেকেই সোভিয়েত ইউনিয়ন এমন একটি ব্যাক-আপ ব্যবস্থার পরিকল্পনা করে, যা নেতৃত্ব ধ্বংস হয়ে গেলেও পারমাণবিক প্রতিশোধ নিশ্চিত করতে পারে। সেই পরিকল্পনার ফলই ছিল এই পেরিমিটার।

‘ডেড হ্যান্ড’ নামের মিথ ও পেরিমিটারের ধারণা
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ‘ডেড হ্যান্ড’ কোনো রাশিয়ান সরকারি নাম নয়। রাশিয়ায় এই ব্যবস্থাকে বলা হয় পেরিমিটার। ‘ডেড হ্যান্ড’ শব্দটি পশ্চিমা বিশ্লেষক ও সাংবাদিকদের তৈরি। বিশেষ করে মার্কিন সাংবাদিক ডেভিড ই. হফম্যান তার পুলিৎজারজয়ী বই The Dead Hand–এ এই ব্যবস্থার বর্ণনা দেয়ার পর নামটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

এই নামের মধ্যেই এক ধরনের ভয়াবহতা আছে- মৃত মানুষের হাত থেকেও যেন ধ্বংস নেমে আসে। ধীরে ধীরে জনপ্রিয় সংস্কৃতি, হলিউড সিনেমা এবং ভিডিও গেমে এটি এমনভাবে উপস্থাপিত হয়, যেন এটি একটি মানবহীন ‘ডুমসডে মেশিন’, যা একা একাই পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু করতে পারে। বাস্তবতা যদিও এতটা সরল নয়।

পেরিমিটার কোনো স্বাধীন চিন্তাশক্তিসম্পন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নয়। এটি মূলত একটি ফেইল-ডেডলি ব্যাক-আপ কমান্ড ও কন্ট্রোল সিস্টেম। এর উদ্দেশ্য একটাই- সব প্রচলিত যোগাযোগ ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেলেও যেন রাশিয়ার পারমাণবিক বাহিনী নির্দেশ পেতে পারে। একাধিক সফল পরীক্ষার পর ১৯৮৫ সালে পেরিমিটার সিস্টেম আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়।

এই ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় উপাদান হলো- বিশেষ ধরনের ‘কমান্ড রকেট’। এটি একটি বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র, যাতে পারমাণবিক ওয়ারহেড থাকে না, বরং এগুলোতে থাকে শক্তিশালী রেডিও ট্রান্সমিশন ব্যবস্থা। সংকটের মুহূর্তে এই মিসাইল আকাশে উৎক্ষেপণ করা হলে তা পুরো রাশিয়ার ওপর দিয়ে উড়ে গিয়ে পারমাণবিক সাইলো, মোবাইল লঞ্চার, সাবমেরিন ও বিমানঘাঁটিতে উৎক্ষেপণ নির্দেশ পাঠাতে পারে। এমনকি শত্রুপক্ষের রেডিও জ্যামিং থাকলেও এটি কার্যকর।

কীভাবে কাজ করে এটি?
পেরিমিটার ব্যবস্থায় যুক্ত রয়েছে একাধিক সেন্সর নেটওয়ার্ক। পারমাণবিক বিস্ফোরণের ফলে যে ধরনের ভূমিকম্পসদৃশ কম্পন সৃষ্টি হয়, বাতাসে যে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে, বায়ুচাপ ও তাপমাত্রার যে হঠাৎ পরিবর্তন ঘটে—এই সবকিছু শনাক্ত করার জন্য আলাদা আলাদা সেন্সর ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি রাডার ও আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থার তথ্যও বিশ্লেষণে যুক্ত হয়।

এই সেন্সরগুলো একসঙ্গে কাজ করে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেষ্টা করে যে রাশিয়ার ভূখণ্ডে সত্যিই কি পারমাণবিক হামলা হয়েছে, নাকি এটি অন্য কোনো প্রাকৃতিক বা প্রযুক্তিগত ঘটনা।

ধরা যাক, ইউক্রেনের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী হামলায় রাশিয়ার শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেল। এমনকি এতটাই ভয়াবহ আঘাত এলো যে পাল্টা জবাব দেয়ার মতো একজন সেনা কর্মকর্তা, সামরিক বিশেষজ্ঞ বা সিদ্ধান্তগ্রহণকারী কেউই আর বেঁচে রইল না। প্রথম দেখায় মনে হতে পারে, এতে ইউক্রেন হয়তো রেহাই পাবে। কিন্তু বাস্তবতা ঠিক উল্টো। কারণ এই পরিস্থিতির জন্যই শীতল যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন তৈরি করেছিল এই ভয়ংকর ব্যবস্থা। নেতৃত্ব ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেলেও যেন প্রতিশোধমূলক হামলা নিশ্চিত করা যায়, সেটিই ছিল এই ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য।

এই পেরিমিটার সিস্টেম সক্রিয় হলে মানুষের আর কোনো ভূমিকা থাকে না। এটি একটি সেমি-অটোমেটিক পারমাণবিক প্রতিশোধ ব্যবস্থা, যা নিশ্চিত করে যে রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রাগার কখনোই নীরব থাকবে না। একের পর এক গোপন ঘাঁটি থেকে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শুরু হবে, ছুটে যাবে শত্রুর দিকে। এই হামলা থামবে না কোনো সতর্কবার্তায়, থামবে না কোনো কূটনৈতিক অনুরোধে। থামবে শুধু তখনই, যখন রাশিয়ার পুরো পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার নিঃশেষ হয়ে যাবে। এমন ভয়াবহ পাল্টা আঘাত কোনো দেশের পক্ষেই সহ্য করা সম্ভব নয়।

মানুষের ভূমিকা, পারমাণবিক প্রতিরোধ ও এমএডি নীতি
এই প্রযুক্তি ব্যবহারে সবচেয়ে বড় ভুল ধারণার জন্ম হয়েছে মানুষের ভূমিকা নিয়ে। পেরিমিটার সব সময় চালু থাকে না এবং এটি নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নেয় না। সংকটময় পরিস্থিতিতে মানুষের সিদ্ধান্তেই এটি সক্রিয় করা হয়। অর্থাৎ রাজনৈতিক বা সামরিক নেতৃত্ব আগেই অনুমোদন দেয় যে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হবে।

যদি নিশ্চিতভাবে প্রমাণ হয় যে পারমাণবিক হামলা হয়েছে এবং একই সঙ্গে শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, তখন পেরিমিটার সেই আগেই দেয়া অনুমোদনের ভিত্তিতে প্রতিশোধমূলক হামলার নির্দেশ পাঠাতে পারে। অর্থাৎ এটি স্বয়ংক্রিয় হলেও পুরোপুরি মানবহীন নয়।

পেরিমিটার গড়ে তোলা হয়েছিল ‘মিউচুয়ালি অ্যাসিউর্ড ডেস্ট্রাকশন’ বা এমএডি নীতির ওপর ভিত্তি করে। এই নীতির মূল কথা- পারমাণবিক যুদ্ধ কেউ জিততে পারে না। যদি এক পক্ষ প্রথম আঘাত হানে, তবে অন্য পক্ষের পাল্টা আঘাতে উভয়ই ধ্বংস হবে।

পেরিমিটার এই নীতিকে আরও শক্তিশালী করে। এটি সম্ভাব্য প্রতিপক্ষকে জানিয়ে দেয়, নেতৃত্ব ধ্বংস করেও পারমাণবিক যুদ্ধ এড়ানো যাবে না। এই নিশ্চয়তাই ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে সবচেয়ে বড় কৌশলগত সুবিধা।

পেরিমিটার কি এখনো সক্রিয়? রাশিয়ার পারমাণবিক বহর কতটা শক্তিশালী
রাশিয়া কখনই আনুষ্ঠানিকভাবে পেরিমিটারের বর্তমান অবস্থা প্রকাশ করেনি। তবে বিভিন্ন সময়ে সাবেক ও বর্তমান সামরিক কর্মকর্তাদের বক্তব্য ইঙ্গিত দেয়, এর একটি আধুনিক সংস্করণ এখনো সক্রিয় রয়েছে। ২০০৯ সালে স্ট্র্যাটেজিক মিসাইল ফোর্সেসের সাবেক প্রধান ভিক্টর ইয়েসিন প্রকাশ্যে এই ব্যবস্থার অস্তিত্বের কথা স্বীকার করেন।

পরবর্তীতে ২০১১ সালে ফোর্সেসের পরবর্তী প্রধান জেনারেল সের্গেই কারাকায়েভ রুশ সংবাদপত্রকে দেয়া সাক্ষাৎকারে পেরিমিটার সিস্টেমের অস্তিত্ব নিশ্চিত করেন। তিনি দাবি করেন, প্রয়োজনে মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করা সম্ভব। রাশিয়ার পারমাণবিক বাহিনীর আধুনিকায়ন কর্মসূচির দিকে তাকালেও ধারণা করা হয়, পেরিমিটার পারমাণবিক প্রযুক্তি এখনো রাশিয়ার কৌশলগত কাঠামোর অংশ।

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআরআই) ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়ার হাতে রয়েছে মোট ৫ হাজার ৫৮০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৭১০টি যে কোনো সময় ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত। এর পাশাপাশি প্রায় ২৪০০টি কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে, যেগুলো আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) সঙ্গে যুক্ত। সব মিলিয়ে রাশিয়াই বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক শক্তিধর দেশ।

দেশটির বহরে রয়েছে পূর্ণ পারমাণবিক ট্রায়াড বা স্থলভিত্তিক আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র, সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র এবং বোমারু বিমান। এছাড়া অস্ত্রভাণ্ডারে রয়েছে অ্যাভানগার্ড, কিনঝাল ও জিরকনের মতো হাইপারসনিক অস্ত্র। এই বিশাল ও বৈচিত্র্যময় অস্ত্রভাণ্ডার পেরিমিটার ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকায় বৈশ্বিক উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

সবচেয়ে বড় ভয় ও এ অস্ত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা
পেরিমিটার নিয়ে সবচেয়ে বড় বিতর্ক হলো ভুল সংকেতের ঝুঁকি। ইতিহাসে একাধিকবার প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা ভুল ব্যাখ্যার কারণে পারমাণবিক যুদ্ধের খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিল বিশ্ব। ১৯৮৩ সালে সোভিয়েত কর্মকর্তা স্তানিস্লাভ পেত্রভ একটি ভুল সতর্কতাকে উপেক্ষা করে পারমাণবিক যুদ্ধ ঠেকিয়েছিলেন।

বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তোলেন- যদি ভূমিকম্প, বড় কোনো বিস্ফোরণ বা প্রযুক্তিগত ত্রুটি ভুল করে পারমাণবিক হামলা হিসেবে ধরা পড়ে, তাহলে কী হবে? যদিও রাশিয়া দাবি করে, আধুনিক পেরিমিটার অনেক বেশি উন্নত ও নির্ভুল। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো ব্যবস্থাই শতভাগ ভুলমুক্ত নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক নীতিতে স্বয়ংক্রিয় লঞ্চের কোনো জায়গা নেই। সেখানে প্রতিটি ধাপে মানুষের সিদ্ধান্ত অপরিহার্য। প্রেসিডেন্টের অনুমোদন ছাড়া কোনো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার সম্ভব নয়। যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্ব বাঁচিয়ে রাখার জন্য বিস্তৃত ‘Continuity of Government’ পরিকল্পনার ওপর জোর দেয়, যেখানে মানবীয় সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। এই মানবকেন্দ্রিক পদ্ধতিই রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক দর্শনের সবচেয়ে বড় পার্থক্য।

মিথের আড়ালে কঠিন বাস্তবতা
পেরিমিটার কোনো সিনেমার বোতামচাপা সর্বনাশ নয়। আবার এটি নিছক নিরীহ প্রযুক্তিও নয়। এটি এমন এক ব্যবস্থার প্রতীক, যেখানে শান্তি টিকে থাকে পারস্পরিক ধ্বংসের ভয় দেখিয়ে। আধুনিক বিশ্বে প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে, ভুলের ঝুঁকিও তত সূক্ষ্ম ও ভয়ংকর হয়ে উঠছে।

রমজানে পণ্যের দাম পর্যালোচনায় সভা ডেকেছে সরকার

ডেড হ্যান্ড হয়তো পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় নয়, কিন্তু এর অস্তিত্বই মনে করিয়ে দেয় মানবসভ্যতা এখনো এমন এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে একটি ভুল হিসাব বা বিভ্রান্ত সংকেত পুরো পৃথিবীর ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে।

fXinmwalink@tg
Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow iNews Zoombangla On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from iNews Zoombangla in your Google news feed.

Follow iNews Zoombangla On Google
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।
Shamim Reza
  • Website
  • Facebook
  • X (Twitter)
  • Instagram
  • LinkedIn

Shamim Reza is an experienced journalist and sub-editor at Zoom Bangla News, with over 13 years of professional experience in the field of journalism. Known for his strong writing skills and editorial insight, he contributes to producing accurate, engaging, and well-structured news content. Born and brought up in Jashore, his background and experience shape his deep understanding of social and regional perspectives in news reporting.

Related Posts
আরব আমিরাতে ওয়ার্ক পারমিট

আরব আমিরাতে ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে বড় সুখবর

জুন 10, 2026
চুক্তি

চুক্তি না হলে ইরানে জোরালো হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

জুন 10, 2026
tangail jail

বন্দিদের বিশ্বকাপ খেলা দেখাতে কারাগারে টিভি!

জুন 10, 2026
Latest News
আরব আমিরাতে ওয়ার্ক পারমিট

আরব আমিরাতে ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে বড় সুখবর

চুক্তি

চুক্তি না হলে ইরানে জোরালো হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

tangail jail

বন্দিদের বিশ্বকাপ খেলা দেখাতে কারাগারে টিভি!

নিরাপত্তা

ইসরায়েলের আগ্রাসন বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য হুমকি: এরদোয়ান

তেলের দাম

ফের বাড়ল তেলের দাম

গৃহকর্মী নেবে না

যেসকল দেশ থেকে গৃহকর্মী নেবে না কুয়েত

দাম ফের বাড়ল

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ফের বাড়ল

সঙ্গে থাকব

মমতা দিদি যতদিন বেঁচে আছেন, তার সঙ্গে থাকব: দেব

পালটা জবাব

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পালটা জবাব দিল ইরান

হামলার জবাব

যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হামলার জবাব হবে ভয়াবহ: আরাঘচি

 

Inews

ZoomBangla iNews is your trusted destination for fast, accurate, and relevant Bangla News. We bring you the latest Bengali news from Bangladesh, India, and around the world. From breaking Bangla news to in-depth coverage of politics, sports, entertainment, lifestyle, and technology—ZoomBangla iNews delivers the stories that truly matter to Bangla news readers.

  • About Us
  • Contact Us
  • Career
  • Advertise
  • DMCA
  • Privacy Policy
  • Feed
  • Authors
  • Editorial Team Info
  • Ethics Policy
  • Correction Policy
  • Fact-Checking Policy
  • Funding Information
© 2026 ZoomBangla Pvt Ltd. - Powered by ZoomBangla

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

tgXwa