প্রতি বছর অসংখ্য স্যাটেলাইট পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পর পুড়ে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, আমাদের আকাশ এখন যেন ‘স্যাটেলাইটের চিতাঘর’ হয়ে উঠেছে।

দ্য কনভারসেশন-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লো আর্থ অরবিটে থাকা স্যাটেলাইটগুলো দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যখন এসব স্যাটেলাইটের জীবনকাল শেষ হয়, তখন সেগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করানো হয় এবং পুড়ে যায়। এই প্রক্রিয়াকে ‘ডিমিজ্যাবিলিটি’ বলা হয়।
যখন স্যাটেলাইট পুড়ে যায়, তখন এতে থাকা অ্যালুমিনিয়ামসহ বিভিন্ন ধাতু বাতাসে ছড়ায় এবং অ্যালুমিনা কণার সৃষ্টি করে। গবেষকরা সতর্ক করেছেন, এই কণাগুলো দীর্ঘ সময় বায়ুমণ্ডলে ভেসে থাকতে পারে এবং ওজোন স্তরকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ওজোন হ্রাস করলে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে সহজে পৌঁছায়।
পুরনো গবেষণায় দেখা গেছে, পৃথিবীতে ফেরার সময় স্যাটেলাইট থেকে তামা, সিসা এবং অ্যালুমিনিয়াম ছড়ায়। পারডু ইউনিভার্সিটির ভূ-পদার্থবিজ্ঞানী ড্যান সিজিকো বলেছেন, মানুষ মহাকাশে এমন কৃত্রিম পদার্থ ছড়াচ্ছে যা আগে প্রায় অক্ষত ছিল। স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার পরিবর্তনের কারণে এর প্রভাব গুরুত্বসহকারে দেখা উচিত।
এছাড়া, স্যাটেলাইট ও মহাকাশ আবর্জনার সংখ্যা বাড়ায় সংঘর্ষের ঝুঁকি। এতে ‘কেসলার সিনড্রোম’ সৃষ্টি হতে পারে, যা একটি সংঘর্ষ থেকে ধারাবাহিক বিপজ্জনক সংঘর্ষের চক্র সৃষ্টি করে।
ভবিষ্যতে আরও লাখ লাখ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই বৈশ্বিক নিয়ম-কানুন প্রণয়ন করা দরকার। কেউ কেউ মৃত স্যাটেলাইটকে দূরের কক্ষপথে পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছেন, তবে এতে জ্বালানি ব্যয় ও পরিবেশের ক্ষতি দুটোই বাড়বে।
যদি চাও, আমি এটাকে আরও সংক্ষিপ্ত, সংবাদধর্মী এবং SEO ফ্রেন্ডলি করে লিখে দিতে পারি, যাতে ওয়েবসাইটে ব্যবহার করা সহজ হয়।
তুমি কি সেটা চাইছো?
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


