আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ঢুলু ঢুলু চোখে স্কুলের পথে হেঁটে চলেছে শিক্ষার্থীরা। আধো ঘুমে পিঠে ব্যাগ নিয়ে স্কুলে পৌঁছতে হচ্ছে ভোর সাড়ে ৫টায়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলাবোধ জাগিয়ে তুলতেই নাকি এ সিদ্ধান্ত! ঘটনাটি ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ার কুপাঙে।

ইন্দোনেশিয়ার-স্কুল

Advertisement

বুধবার (১৫ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি’র এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্দোনেশিয়ার কুপাঙ শহরে রয়েছে ১০টি উচ্চবিদ্যালয়। সেই বিদ্যালয়ে পাইলট প্রকল্প হিসাবে ভোর সাড়ে ৫টায় স্কুল শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। আর এ নির্দেশ ঘিরেই তোলপাড় চলছে ইন্দোনেশিয়ায়।

সাধারণত, ইন্দোনেশিয়ায় সব স্কুল শুরু হয় স্থানীয় সময় সকাল ৭-৮টার মধ্যে। কিন্তু সেই সময়কে আরও এগিয়ে নিয়ে এসেছে ইস্ট নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের রাজধানী কুপাং। এ প্রদেশের গভর্নর ভক্টির লাইসকোডাট গেলো মাসেই ঘোষণা করেছিলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলাবোধ জাগিয়ে তোলা প্রয়োজন। আর এ শৃঙ্খলাবোধ জাগিয়ে তোলার জন্য সময়ানুবর্তিতা হওয়া উচিত। তাই শৃঙ্খলাবোধ বাড়ানোর জন্য স্কুলের সময় আরও এগিয়ে নিয়ে আসার পরামর্শ দেন তিনি।

প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে অভিভাবক এবং ছাত্রমহলে ক্ষোভ বাড়তে শুরু করেছে। এক অভিভাবক সংবাদ সংস্থা এএফপিকে বলেন, “এই সিদ্ধান্ত মানা যায় না। আধো ঘুমে ছেলেমেয়েদের স্কুলের জন্য রওনা দিতে হচ্ছে। অন্ধকার থাকতেই তাদের বাড়ি থেকে বেরোতে হচ্ছে। আর এতে তো পড়ুয়াদের নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হতে পারে।” রাম্বু আতা নামে এক অভিভাবক আবার বলেছেন, “আমার মেয়েকে ভোর ৪টের সময় উঠতে হয়। স্কুল থেকে যখন ফেরে তখন খুবই ক্লান্ত হয়ে পড়ে।”

নুসা সেন্ডানা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা বিশেষজ্ঞ মার্শেল রোবট বলেন, “শিক্ষার গুণগত মান এবং শৃঙ্খলাবোধ বাড়ানোর সঙ্গে ভোর সাড়ে ৫টা স্কুল শুরুর কোনও সম্পর্ক নেই। এটা হতেও পারে না। এতে আখেরে লাভের থেকে ক্ষতিই বেশি হচ্ছে। পড়ুয়াদের ঠিক মতো ঘুম না হলে স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব পড়বে।”

বিশ্বরেকর্ড করতে আগুন খান নাসার প্রকৌশলী

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.