সার্ভিস করার পরও অনেক সময় দেখা যায় এয়ার কন্ডিশনার ঠিকভাবে ঠান্ডা বাতাস দিচ্ছে না। শুধু সাধারণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা করলেই সব সমস্যার সমাধান হয় না, কারণ অনেক সময় ভেতরের গুরুত্বপূর্ণ অংশে ত্রুটি থাকতে পারে। বিশেষ করে কুলিং কয়েল ঠিকভাবে কাজ না করলে পুরো শীতলীকরণ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে। সময়মতো সমস্যা শনাক্ত না করলে পরে গ্যাস লিক বা বড় ধরনের মেরামতের খরচের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

কুলিং কয়েলের গুরুত্ব
এয়ার কন্ডিশনারে কুলিং কয়েল মূলত তাপ আদান-প্রদানের প্রধান অংশ হিসেবে কাজ করে। এই অংশে ধুলা জমে গেলে, মরিচা ধরলে বা ক্ষতি হলে ঠান্ডা করার ক্ষমতা অনেকটাই কমে যায়। তাই সার্ভিস করার পরও যদি এয়ার কন্ডিশনার ঠিকভাবে ঠান্ডা না করে, অনেক ক্ষেত্রে এই কয়েলই মূল সমস্যা হতে পারে।
কোন লক্ষণগুলো দেখলে বুঝবেন সমস্যা আছে
যদি দেখা যায় এয়ার কন্ডিশনার শুধু বাতাস দিচ্ছে কিন্তু ঠান্ডা কম, ইনডোর ইউনিটে বরফ জমছে, পানি টপটপ করে পড়ছে বা অস্বাভাবিক গন্ধ বের হচ্ছে তাহলে বুঝতে হবে ভেতরের কয়েল বা শীতলীকরণ ব্যবস্থায় সমস্যা রয়েছে। একই সঙ্গে বাতাসের প্রবাহ দুর্বল হয়ে যাওয়া বা বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যাওয়াও সতর্ক সংকেত হতে পারে।
সমাধানের উপায়
অনেক ক্ষেত্রে গভীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা করলে সমস্যা কমে যেতে পারে, যা তুলনামূলকভাবে কম খরচে সম্ভব। ধুলা বা হালকা ব্লকেজ থাকলে পেশাদারভাবে পরিষ্কার করলে শীতলীকরণ আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারে।
মেরামত বা পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে
যদি কয়েলে ছোটখাটো লিক বা ক্ষতি থাকে, তাহলে মেরামত করে ঠিক করা সম্ভব, তবে এতে খরচ কিছুটা বেশি হতে পারে। কিন্তু যদি কয়েল বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন সেটি পরিবর্তন করতে হয়, যা তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল।
এয়ার কন্ডিশনার ভালো রাখতে করণীয়
নিয়মিত সার্ভিসিং করা খুব জরুরি, বিশেষ করে গরমের মৌসুম শুরুর আগে। প্রতি মাসে ফিল্টার পরিষ্কার রাখা, খুব নিচু তাপমাত্রায় দীর্ঘ সময় চালানো এড়িয়ে চলা এবং ভোল্টেজ সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহার করা এয়ার কন্ডিশনারের আয়ু বাড়াতে সাহায্য করে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


