শীতকালে ত্বকের শুষ্কতা, রুক্ষতা ও প্রাণহীনতা অনেকের জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। ঠান্ডা আবহাওয়ায় ত্বক থেকে পানি দ্রুত নিঃসরণ হয়, ফলে বাইরের ময়েশ্চারাইজার সবসময়ই যথেষ্ট হয় না। ত্বককে সত্যিকারভাবে সুস্থ রাখতে প্রয়োজন পুষ্টিকর খাদ্য, যা ভেতর থেকে ত্বককে হাইড্রেটেড ও উজ্জ্বল রাখে।

এক্ষেত্রে স্যুপ হতে পারে সহজ, স্বাস্থ্যকর এবং কার্যকর সমাধান। গরম এবং পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ স্যুপ শরীরকে হাইড্রেট রাখার পাশাপাশি ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে।
গাজর ও আদার স্যুপ শীতকালে বিশেষভাবে উপকারী। গাজরের বিটা-ক্যারোটিন শরীরে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’-তে রূপান্তরিত হয়, যা ত্বক মেরামত ও আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। আদার প্রদাহনাশক গুণ ত্বকের সংবেদনশীলতা কমায়।
টমেটো ও তুলসীর স্যুপ ত্বককে প্রাণবন্ত রাখে। টমেটোর লাইকোপিন শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ফ্রি র্যাডিক্যাল থেকে রক্ষা করে। তুলসীর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য ত্বকের ভিতরে থেকে পরিচর্যায় সহায়ক।
পালং শাক ও ডালের স্যুপ ত্বকের গভীর পুষ্টির জন্য জরুরি। পালং শাকে থাকা আয়রন, ফলেট ও ভিটামিন সি কোলাজেন তৈরিতে সহায়তা করে। ডাল থেকে প্রাপ্ত প্রোটিন ত্বকের কোষ মেরামত ও পুনর্গঠন করে।
কুমড়ার স্যুপ শীতকালে জনপ্রিয়। এতে থাকা ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’ শুষ্ক ত্বকে আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনে। কুমড়ার ক্রিমি স্বাদ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে সুস্থ রাখে।
চিকেন ও সবজি স্যুপ ভেতর থেকে ত্বকের যত্ন নেয়। চিকেনের লিন প্রোটিন কোষ গঠনে সাহায্য করে, আর সবজি প্রয়োজনীয় পানি ও খনিজ উপাদান সরবরাহ করে।
মিষ্টি আলু ও নারকেল দুধের স্যুপ এক বিশেষ পুষ্টিকর সংমিশ্রণ। মিষ্টি আলুর বিটা-ক্যারোটিন ত্বক উজ্জ্বল রাখে, নারকেল দুধের স্বাস্থ্যকর ফ্যাট আর্দ্রতা বজায় রাখতে কার্যকর।
শীতকালে শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বক থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত এসব পুষ্টিসমৃদ্ধ স্যুপ খাওয়া সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায়। ঘরে তৈরি হোক বা বাইরে থেকে নেওয়া—নিয়মিত স্যুপ খেলে পুরো শীতজুড়ে ত্বক থাকবে মসৃণ, আর্দ্র ও উজ্জ্বল।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


