২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের চূড়ান্ত প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল। শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে ৬ জুন টেক্সাসের কলেজ স্টেশনের কাইল ফিল্ডে হন্ডুরাসের বিপক্ষে মাঠে নামবে আলবেসিলেস্তরা। এরপর মাত্র তিন দিন বিরতিতে ৯ জুন আলাবামার অবার্নে অবস্থিত ‘জর্ডান-হেয়ার স্টেডিয়ামে’ ইউরোপীয় দল আইসল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে আলবিসেলেস্তেরা।

ক্রীড়াভিত্তিক স্প্যানিশ গণমাধ্যম মার্কা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, হন্ডুরাসের বিপক্ষে ৬ জুন এক লক্ষ দর্শক ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন কাইল ফিল্ডে খেলতে নেমে মেসি ক্যারিয়ারে একটি নতুন মাইলফলক স্থাপন করবেন। এর মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়ামে খেলতে নামছেন তিনি। এতে একটি বিষয় নিশ্চিত যে টেক্সাসের এই স্টেডিয়ামের সব টিকিট বিক্রি হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কাইল ফিল্ডে আর্জেন্টিনা-হন্ডুরাস ম্যাচটি হবে সেই স্টেডিয়ামের ইতিহাসে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ। প্রথমটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২৪ সালে, যখন মেক্সিকো বনাম ব্রাজিলের ম্যাচে ৮৫,০০০-এরও বেশি দর্শক সমাগম হয়েছিল। প্রত্যাশা অনুযায়ী এই ম্যাচের সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেলে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের ঐ অঞ্চলে ফুটবলে দর্শক উপস্থিতির সর্বকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড হতে পারে।
মাঠের বাইরেও এই সফর ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন লিওনেল মেসি। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি এখন পর্যন্ত বিশ্বের ২২০টিরও বেশি ভিন্ন ভেন্যুতে গোল করেছেন, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বহু স্টেডিয়ামও রয়েছে। এবার যদি তিনি কাইল ফিল্ড বা জর্ডান-হেয়ার স্টেডিয়ামে গোল করেন, তাহলে সেটি হবে কোনো কলেজ ফুটবল স্টেডিয়ামে তার প্রথম আনুষ্ঠানিক গোল এবং আলাবামা অঙ্গরাজ্যে প্রথম গোলের নতুন ইতিহাস।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
ফুটবল ইতিহাসে আর্জেন্টিনা এর আগে হন্ডুরাসের বিপক্ষে তিনবার মুখোমুখি হয়ে প্রতিবারই জয় পেয়েছে। সর্বশেষ ২০২২ সালে মায়ামিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তারা ৩-০ ব্যবধানে জয় তুলে নেয়। অন্যদিকে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার স্মরণীয় একমাত্র সাক্ষাৎ ছিল ২০১৮ বিশ্বকাপ রাশিয়ার গ্রুপ পর্বে, যেখানে ১-১ গোলে ড্র হলেও মেসির পেনাল্টি রুখে দিয়ে আলোচনায় আসেন আইসল্যান্ডের গোলরক্ষক হানেস পোর হালডোরসন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


