রংপুরের মিঠাপুকুরে একটি কোচিং সেন্টারে একান্তে ভালো করে পড়ানোর নামে এক ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ওই কোচিং সেন্টার গভীর রাত পর্যন্ত ঘেরাও করে রাখেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ গেলে অভিযুক্ত শিক্ষককে তাদের হাতে তুলে দেন তারা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিঠাপুকুর থানার ওসি নুরুজ্জামান। ভুক্তভোগী স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন, মিঠাপুকুর উপজেলার বৈরাতিহাট এলাকায় একটি রুম ভাড়া নিয়ে নিজস্ব কোচিং সেন্টার চালাচ্ছিলেন রাকিব মিয়া নামে এক ব্যক্তি।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, রাকিব সেখানে গত কয়েকদিন ধরে অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দেওয়ার পর তাকে ভালো করে পড়ানোর নামে জোর করে ধর্ষণ করে। প্রতিবাদ করলে বিয়ে করার আশ্বাস দেয় সে। তবে, বিষয়টি কাউকে না জানানোর কথা বলে। বিষয়টি নিয়ে স্কুলছাত্রী তার বাবা-মা ও স্বজনদের জানায়।
এ ঘটনায় বুধবার রাতে স্থানীয়দের নিয়ে আপসের জন্য ঘরোয়া বৈঠকের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত সবার সামনে রাকিব ওই ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার করে ‘টাইম পাস’ করেছে বলে দাবি করে।
এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রাকিবকে গভীর রাত পর্যন্ত তার কোচিং সেন্টারে আটকে রাখে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে বিক্ষুব্ধ জনতা রাকিবকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
মিঠাপুকুর থানার ওসি নুরুজ্জামান বলেন, যথারীতি ভুক্তভোগী ওই কিশোরীকে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত রাকিবকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


