আন্তর্জাতিক ডেস্ক : একদিকে সাগরের নয়নাভিরাম দৃশ্য, অন্যদিকে পাহাড়। আর ওই পাহাড়ের মধ্যে দিয়েই এঁকেবেঁকে চলে গেছে একটি ছোট্ট পথ। বিশ্বের সবচেয়ে আইকনিক এবং রোমান্টিক পথগুলোর মধ্যে একটি ইতালির ‘ভিয়া দেল আমোর’ বা ‘ভালোবাসার পথ’।

Love Way

Advertisement

দীর্ঘ ১২ বছর ধরে বন্ধ ছিল এই ভালোবাসার পথ। ভূমিধসে চার অস্ট্রেলিয়ান পর্যটক আহত হওয়ার পর ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয় পথটি। তবে একযুগ পর আবারও খুলে দেওয়া হয়েছে এটি।

সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২ কোটি ৪০ লাখ ডলার বিনিয়োগে দীর্ঘ সময় ধরে সংস্কার কাজের মাধ্যমে পর্যটকদের সুবিধার্থে নতুন করে সাজানো হয়েছে একে। গতকাল শনিবার (২৭ জুলাই) থেকে পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে পথটি জানিয়েছে ইতালীয় পর্যটন মন্ত্রণালয়।

পাহাড়ঘেঁষা পথটি সাগর পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয়েছে। ৯০০ মিটার দীর্ঘ পথটির অবস্থান ইতালির লিগুরিয়ার উত্তরাঞ্চলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যঘেরা সিনকু টেরাতে। ১৯৯৭ সালে এ পথকে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে ইউনেস্কো। ২০১২ সালে ভূমিধসে চার অস্ট্রেলীয় পর্যটক আহত হলে বন্ধ হয়ে যায় এ ‘ভালোবাসার পথ’।

সিএনএন-কে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইতালির পর্যটন মন্ত্রণালয় জানায়, একপাশে পাহাড়ের অবস্থান, ভঙ্গুর শিলা এবং ভূমিধস-প্রবণ এলাকার কারণে পথটির সংস্কার কাজটি বেশ জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। প্রতিমূহুর্তে ভূমিধসের ঝুঁকি বিবেচনায় কাজ করতে হয়েছে। যার কারণে এটি পুনরায় খুলে দেওয়াটাও এত সহজ ছিল না।

তবে পর্যটকদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং স্থানটি সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্যে এখন থেকে এই পথ ঘুরতে গেলে পর্যটকদের মানতে হবে কিছু বিধিনিষেধ। আরোপ করা হয়েছে কিছু নতুন নিয়ম।

সিএনএন জানায়, আগস্ট থেকে ‘ভিয়া দেল আমোর’ বা ‘ভালোবাসার পথে’ প্রতিদিন চারশত পর্যটক ঘুরতে পারবেন। পর্যটকদের নির্ধারিত প্রবেশ সময়ের জন্য ১০ ইউরো দিয়ে টিকিট কিনতে হবে।

এছাড়া পর্যটকদের ব্যবস্থাপনায় পথটিতে কর্মীরা থাকবেন যাতে করে স্থানটির কোন ক্ষতি কেউ করতে না পারে।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.