শীতকাল এলেই যে সবজিটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে, সেটি হলো গাজর। রান্না করে বা কাঁচা—দুইভাবেই খাওয়া যায় এই সবজি। ভিটামিন এ ও সি-সমৃদ্ধ গাজর চোখের সুস্থতার পাশাপাশি ত্বকের যত্নেও দারুণ কার্যকর।

তবে শুধু গাজর খেয়েই নয়, ত্বকে ব্যবহার করেও পাওয়া যায় এর উপকারিতা। সেক্ষেত্রে ভরসা হতে পারে ক্যারট সিড অয়েল।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্কিন কেয়ার দুনিয়ায় ক্যারট সিড অয়েলের জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। কিন্তু অনেকেই এসেনশিয়াল অয়েল কেনার সময় দ্বিধায় পড়েন—এই তেল ত্বকে ব্যবহার করা নিরাপদ কি না, আর করলে আদৌ কী উপকার পাওয়া যায়।
যদি আপনারও এমন প্রশ্ন থাকে, তাহলে জেনে নিন ক্যারট সিড অয়েলের বিস্তারিত উপকারিতা ও ব্যবহারবিধি।
ত্বকে ক্যারট সিড অয়েলের উপকারিতা
পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ
ক্যারট সিড অয়েলে রয়েছে ক্যারোটেনয়েড, ভিটামিন এ, ভিটামিন ই, পটাশিয়াম ও ফসফরাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এসব পুষ্টি উপাদান ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে এবং ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখে
শীতকালে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে। ক্যারট সিড অয়েলের ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করে। ফলে শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বকের জন্য এটি বেশ উপকারী।
ক্ষত ও জ্বালা কমাতে সহায়ক
এই তেলের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ ত্বকের লালচে ভাব, চুলকানি, জ্বালা ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। ছোটখাটো ক্ষত বা সংবেদনশীল ত্বকের যত্নে ক্যারট সিড অয়েল কার্যকর ভূমিকা রাখে।
ইউভি ও নীল আলোর সুরক্ষা দেয়
ক্যারট সিড অয়েলের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর ইউভি রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেয়। পাশাপাশি মোবাইল ও ল্যাপটপের নীল আলো থেকেও ত্বকের ক্ষয় রোধ করতে সহায়ক এই তেল।
কীভাবে ব্যবহার করবেন
ক্যারট সিড অয়েল একটি এসেনশিয়াল অয়েল, তাই এটি সরাসরি ত্বকে ব্যবহার করা উচিত নয়। ব্যবহারের আগে অবশ্যই কোনো ক্যারিয়ার অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে।
আমন্ড অয়েল বা অলিভ অয়েলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা ক্যারট সিড অয়েল মিশিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে মুখে বা ত্বকে লাগাতে পারেন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক থাকবে নরম, উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


