ভারতের ভাইরাল রাজনৈতিক প্যারোডি গ্রুপ ‘তেলাপোকা’-এর ওয়েবসাইটটি ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) গ্রুপটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ এ তথ্য জানিয়েছেন।

ককরোচ জনতা পার্টির সূত্রপাত বেকার তরুণ-তরুণীদের একাংশ ‘তেলাপোকা’র মতো আচরণ করেন বলে দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত মন্তব্য করার পর। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির মতে, ওই তরুণ-তরুণীরা কোনো পেশায় স্থান না পেয়ে সাংবাদিক, সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী বা তথ্যের অধিকার কর্মী হিসাবে কাজ শুরু করেন ও সবাইকে আক্রমণ করেন।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের ওই মন্তব্যের পর অনলাইনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হলে বেকার তরুণ-তরুণীদের একাংশ সংগঠিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। জন্ম হয় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপির। তারা একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দল হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে নেটমাধ্যমে। শুরু হয় নেটমাধ্যমে দলের সদস্য সংগ্রহের কাজও।
ভারতে ‘তেলাপোকা’ পার্টির ওয়েবসাইটটি আর অ্যাক্সেস পাওয়া যাচ্ছে না এবং অন্যান্য জায়গাতেও এটি বন্ধ রয়েছে বলে মনে হচ্ছে।
গ্রুপটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ বলেছেন, ভারতীয় কর্মকর্তারা “আমাদের আইকনিক ওয়েবসাইটটি বন্ধ করে দিয়েছেন”
তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কর্মকর্তারা ‘তেলাপোকাকে এত ভয় পান কেন।’
তিনি এক্স-এ লিখেছেন, গ্রুপটি, যা কোনো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক দল নয়, ইতিমধ্যেই একটি নতুন ‘ওয়েবসাইট’ তৈরির কাজ করছে এবং বলেছেন, “তেলাপোকা কখনো মরে না।”
ভারতে তাদের অফিসিয়াল এক্স পেজটিরও অ্যাক্সেস পাওয়া যাচ্ছে না। যারা এটি খোলার চেষ্টা করছেন, তাদের একটি বার্তা দেখানো হচ্ছে যে এটি ‘একটি আইনি দাবির পরিপ্রেক্ষিতে’ আটকে রাখা হয়েছে।
দীপ দাবি করেছেন, তার ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম এবং গ্রুপটির অ্যাকাউন্ট উভয়ই হ্যাক করা হয়েছে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
প্রসঙ্গত, সিজেপি বা তেলাপোকা জনতা পার্টি – নামটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র নামের একটি ব্যঙ্গাত্মক অনুকরণ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



