আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়ান সেনাবাহিনী যদি অবরুদ্ধ শহর বাখমুতের দখল নিতে পারে, তা হলে পূর্ব ইউক্রেনে ঢোকার জন্য তারা একটি ‘উন্মুক্ত পথ’ পেয়ে যাবে। মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন-কে দেওয়া মঙ্গলবার এমন কথা জানিয়েছেন তিনি।

জেলেনস্কি

Advertisement

জেলেনস্কি বলেন, ‘আমরা বুঝতে পারি যে, বাখমুতের পর তারা আরও অগ্রসর হতে পারে। তারা ক্রামেটরস্কে যেতে পারে, তারা স্লোভিয়ানস্কে যেতে পারে। বাখমুতের পর দোনেৎস্কের দিকে অগ্রসর হওয়ার ক্ষেত্রে তারা একটি উন্মুক্ত পথ পেয়ে যাবে।’ সিএনএনের উলফ ব্লিটজারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারটি বুধবার যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রচারের কথা রয়েছে।

রাশিয়ান সেনাবাহিনী ইউক্রেনের পূর্বের শহরগুলোর মধ্যে বাখমুতের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। আর সেটি করতে পারলে তা হবে বিগত কয়েক মাস ধরে চলা বাখমুতকেন্দ্রিক যুদ্ধের জন্য যুদ্ধ রুশ বাহিনীর একটি পুরস্কার। ফলে রুশ বাহিনী ইউক্রেনের আরও গভীরে হামলা পরিচালনা করতে পারবে।

বাখমুত ইউক্রেনের একটি লবণের খনির শহর। তা ছাড়া বছরব্যাপী যুদ্ধে বিজয়ের ক্ষেত্রে শহরটি রুশ বাহিনীর জন্য কৌশলগত দিক থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বিগত প্রায় সাত মাস ধরে শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছেন রুশ সেনারা। যুদ্ধ শুরুর আগে শহরটিতে প্রায় ৮০ হাজার লোকের বাস ছিল। কিন্তু বর্তমানে শহরটিতে চার হাজারের মতো মানুষ রয়েছে। তাও তীব্র যুদ্ধের কারণে ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন।

রাশিয়া যে কোনো মূল্যে শহরটি দখল করার প্রতিজ্ঞা করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোয়েগু মঙ্গলবার এক বৈঠকে সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, বাখমুত দখল করতে পারলে ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিরক্ষা লাইনের আরও গভীরে আক্রমণ করা সম্ভব হবে।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.