আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বের সবচেয়ে ঝাল মরিচ হিসেবে পরিচিতি আছে ক্যারোলাইনা রিপারের। সাধারণত লাল ও পেঁচানো আকৃতির হয়ে থাকে এই মরিচ। আর মাত্র ৬ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডে এমন ৫০টি মরিচ খেয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন মাইক জ্যাক। চলতি সপ্তাহে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখান তিনি।

মরিচ খেয়ে বিশ্বরেকর্ড

Advertisement

৪১ বছরের মাইক জ্যাক কানাডার অন্টারিও প্রদেশের লন্ডন শহরের বাসিন্দা। তিনি ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেন, ‘আমি বড় ধরনের কিছু করতে চেয়েছিলাম।’

মাইক শৈশবে কখনো মসলাদার খাবার খাননি। কলেজজীবনে হোস্টেলে তার কক্ষে থাকা অন্যান্য শিক্ষার্থীর কাছে প্রথম শ্রীরাচা ও ফ্রাঙ্কস রেডহটের মতো ঝাল সসের স্বাদ পান। ঝাল লাগলেও মাইকের কাছে বেশ ভালোই লেগেছিল।

এর পর মাইক এক বসায় কে সবচেয়ে বেশি মরিচ খেয়েছেন, সেই রেকর্ড খুঁজে বের করলেন। দেখলেন অস্ট্রেলিয়ায় এক ইভেন্টে এক ব্যক্তি একসঙ্গে ২৫টি এই জাতের মরিচ খেয়েছিলেন। এর পর মাইক হাঙ্গার প্রজেক্টের জন্য এক দাতব্য অনুষ্ঠানে ৩০টি মরিচ খেয়েছিলেন।

গত বছরের ৫ নভেম্বর মাইক অন্টারিও প্রদেশের লন্ডনে ফরকড রিভার ব্রিউইং কোম্পানি নামে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। লাল গেঞ্জি গায়ে ও হাতে সার্জারি গ্লাভস পরে খেতে বসেন। টেবিলে তার সামনে একটি প্লেটে রাখা ৫০টি ক্যারোলাইনা রিপার মরিচ।

নতুন সিনেমা নিয়ে প্রস্তুত কঙ্গনা

এর পর মাইক মুখের ভেতর একের পর এক মরিচ পুরতে থাকেন। এই জাতের একেকটি মরিচ জালাপেও মরিচের চেয়ে ২০০ গুণ বেশি ঝাল। এক মিনিটে মাইক ৮টি, পরের মিনিটে আরও ৮টি, তৃতীয় মিনিটে ৭টি, চতুর্থ মিনিটে ৬টি, পঞ্চম ও ষষ্ঠ মিনিটে আরও ৭টি করে মরিচ খান। সপ্তম মিনিট শেষ হওয়ার আগেই প্লেট খালি হয়ে যায়।

এর পরও থেমে যাননি মাইক। দুই প্লেট মিলিয়ে আরও ১০০ মরিচ শেষ করেন, যাতে সময় লাগে ৩২ মিনিট। ওই দিন ১ ঘণ্টা ৮ মিনিটে তিনি ১৩৫টি মরিচ খেয়ে ফেলেন। সূত্র: গালফ টাইমস

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Tarek Hasan is a professional journalist and currently works as a sub-editor at Zoom Bangla News. With six years of experience in journalism, he is an experienced writer with a strong focus on accuracy, clarity, and editorial quality. His work contributes to delivering reliable and engaging news content to digital audiences.