দেশের স্বাধীনতার অন্যতম প্রধান চরিত্র শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার অবদানকে খাটো করার চেষ্টার মাধ্যমেই এটি বারবার প্রমাণ হয়েছে যে, তিনি এদেশের স্বাধীনতার এক অনিবার্য ও অবিচ্ছেদ্য অংশ।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তারেক রহমান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, জিয়াউর রহমান হঠাৎ করেই স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। এর পেছনে দীর্ঘ প্রস্তুতি ও প্রেক্ষাপট ছিলো। তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার নিজের লেখা ‘একটি জাতির জন্ম’ শীর্ষক নিবন্ধ থেকেই অনেক কিছু স্পষ্ট হয়ে ওঠে, কীভাবে তিনি স্বাধীনতার পথে পা বাড়িয়েছিলেন।
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে পারি এবং কাজ করতে পারি, তবেই একটি কাঙ্ক্ষিত স্বনির্ভর দেশ গড়তে সক্ষম হবো।
বর্তমান সরকারকে ‘নির্বাচিত’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সরকার জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এবারের স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা সমাজের কেবল একটি অংশকে নিয়ে নয়, বরং সবাইকে নিয়ে ভালো থাকতে চাই। সবাইকে নিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করাই আমাদের লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা এখন তারেক রহমান। দীর্ঘ ১৮ বছরের ফ্যাসিস্ট নির্যাতনের পর জনসমর্থিত নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে তার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ১৮ বছরে নির্যাতন নিপীড়ণের স্বীকার বিএনপি কর্মীরা। তার পরেও মাথা নত করিনি।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরে আবারও অপশক্তি মাথাচারা দিচ্ছে। যারা পাকিস্তানিদের সহযোগিতা করেছে তারা নতুন করে হাজির হয়েছে। তাই সবাইকে সাবধান থাকতে হবে। অপশক্তিকে পরাজিত করে স্বাধীনতার শক্তিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


