
হোসেইন খানযাদি জানান, বর্তমানে ইরানের নৌবাহিনীতে যেসব ড্রোন যুক্ত রয়েছে সেগুলো ২০০ থেকে এক হাজার কিলোমিটার পাল্লার কিন্তু যখন নতুন উন্নত ড্রোন যুক্ত করা হবে তখন এসব পুরোনো ড্রোন সরিয়ে নেয়া হবে এবং নতুন ড্রোনের পাল্লা হবে আরো অনেক বেশি। এতে ইরানি নৌবাহিনীর নজরদারির ক্ষমতা অনেক বেশি বাড়বে।
নৌ বাহিনীর বিশেষজ্ঞদের রাত-দিনের পরিশ্রমের কথা উল্লেখ করে অ্যাডমিরাল খানযাদি বলেন, তাদের এই পরিশ্রমের কারণে খুব শিগগিরি আমরা অনেক উন্নত প্রযুক্তি দেখতে পাব এবং সেগুলো ইরানি নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজে মোতায়েন করা হবে।
ইরানি নৌবাহিনীর কমান্ডার আরও জানান, এরইমধ্যে তারা সফলতার সঙ্গে জেট পাওয়ার চালিত সিজ্জিল ড্রোনের পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন। এ ড্রোন নির্মাণের ক্ষেত্রে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহযোগিতা করেছে।
খানযাদি জানান, এই ড্রোন ঘণ্টায় এক হাজার কিলোমিটার বেগে উড়তে পারে এবং কয়েকটি বোমা বহন করতে সক্ষম। সিজ্জিল ড্রোন থেকে ১০০ কিলোমিটার ওপর হতে শত্রুর লক্ষ্যবস্তুর উপর বোমা নিক্ষেপ করা সম্ভব। তিমি মাছের মতো আকৃতি দেওয়া হয়েছে নতুন এ ড্রোনের।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



