মোবাইল ফোন আর সামাজিক মাধ্যমের ভিড়ে আমাদের দিনগুলো কেমন যেন দ্রুত আর যান্ত্রিক হয়ে উঠছে। একটার পর একটা নোটিফিকেশন, অন্তহীন স্ক্রল—এর মাঝেই কোথায় যেন হারিয়ে যায় নিজের জন্য রাখা নিরিবিলি সময়টুকু।

এই ব্যস্ততার ভেতর হঠাৎ একটা প্রশ্ন এসে দাঁড়ায়—শেষ কবে কোনো বই হাতে নেওয়া হয়েছিল? পড়ার আনন্দে ডুবে গিয়ে সময়ের হিসাব ভুলে গিয়েছিলেন? উত্তরটা ভাবতে গিয়েই অনেকে হয়তো একটু থেমে যান, তারপর আবার সেই পরিচিত স্ক্রিনেই ফিরে যান।
তবে আজকের দিনটা একটু ভিন্ন। কারণ ২৩ এপ্রিল, World Book Day। বই পড়া, প্রকাশনা এবং কপিরাইট বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে ১৯৯৫ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে দিনটি পালন করা হচ্ছে।
এই দিবসের পেছনের গল্পটাও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। স্পেনের লেখক Vicente Clavel Andrés প্রথম এই ধারণা সামনে আনেন। পরে UNESCO এটিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বই শুধু তথ্য দেয় না, মানুষের চিন্তার জগৎকে প্রসারিত করে। নিয়মিত পড়ার অভ্যাস মস্তিষ্ককে সচল রাখে, স্মৃতিশক্তি বাড়ায়, এমনকি মানসিক চাপ কমাতেও সাহায্য করে।
গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত বই পড়েন, তাদের মনোযোগ আর কল্পনাশক্তি তুলনামূলকভাবে বেশি উন্নত থাকে। ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশের ঝুঁকি কমাতেও বই পড়া ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
আরও পড়ুনঃ
সব মিলিয়ে, বই এখনো মানুষের সবচেয়ে কাছের সঙ্গী হয়ে থাকতে পারে—যদি আমরা একটু সময় দিই। ব্যস্ত জীবনের মাঝেও প্রতিদিন কয়েকটা পাতা পড়া হয়তো আমাদের ভেতরের ক্লান্তিটাকে একটু কমিয়ে দিতে পারে, আর চিন্তার জগৎটাকে করে তুলতে পারে আরও উন্মুক্ত।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


