
সরকারি হিসাবে বলা হয়, গত কয়েক সপ্তাহে বন্যার পানিতে ডুবে ৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, ভূমিধসে মৃত্যু হয়েছে ২৬ জনের। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলো হলো ধেমাজি, লখিমপুর, বিশ্বনাথ, দরং, বাক্সা, নলবাড়ি, বরপেটা, চিরাং, বঙাইগাঁও, কোকড়াঝাড়, ধুবড়ি, গোয়ালপাড়া, কামরূপ, মরিগাঁও, নগাঁও, গোলাঘাট, ডিব্রুগড়, তিনসুকিয়া ও কাছাড়।
সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গোয়ালপাড়া, এখানে ৪ লাখ ৫৯ হাজার লোক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এরপরেই বরপেটা জেলায় ৩ লাখ ৩৫ হাজার লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাস্তুচ্যুত লোকদের রাজ্যজুড়ে অস্থায়ী ত্রাণ ক্যাম্পে আশ্রয় দেয়া হয়েছে।
সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলো হলো ধেমাজি, লখিমপুর, বিশ্বনাথ, দরং, বাক্সা, নলবাড়ি, বরপেটা, চিরাং, বঙাইগাঁও, কোকড়াঝাড়, ধুবড়ি, গোয়ালপাড়া, কামরূপ, মরিগাঁও, নগাঁও, গোলাঘাট, ডিব্রুগড়, তিনসুকিয়া ও কাছাড়।
এদিকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর বরাত দিয়ে ভারতীয় এক গণমাধ্যমে জানিয়েছে, আসামের ৩৩ জেলার মধ্যে ২৪ জেলায় ৭০ লাখ মানুষ বন্যায় কবলিত হয়েছে। তারা ব্যাপক দুর্ভোগে রয়েছে। এছাড়া গবাদি পশুগুলোও চরম নাজেহাল অবস্থায় পড়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



