
সোমবার (১৮ মে) তারাবিহ নামাজ শেষে মসজিদের সামনে এ হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এগিয়ে এলে ইউপি সদস্য দৌড়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে বিধবা জেসমিন আক্তার ডলি বলেন, সরকার গরীব, অসহায় ও হতদরিদ্র লোকদের জন্য আর্থিক সহায়তা ও বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী দিচ্ছে। কিন্তু আমার ভাগ্যে কোনোকিছু জুটছে না। আমার ছেলের নামে চালের কার্ড থাকার পরও চাল না পাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করলে ওই ইউপি সদস্য আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করে। তাই আমি তাকে জুতাপেটা করেছি।
তবে ইউপি সদস্য এমরান মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ২০১৬ সালে তোফায়েলের নাম তালিকাভুক্ত করেছি। তার আইডি কার্ড না থাকায় বাদ পড়েছে। এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক অমলবাবু দাস জানান, তার নাম সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তালিকায় রয়েছে। কিন্তু তার নামে সঙ্গে অন্য ব্যক্তির আইডি কার্ড সংযুক্ত করা হয়। কিন্তু তার বই পাওয়া যায়নি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



