
মঙ্গলবার উপজেলার সীমান্ত নদী ইছামতিতে নিজ জলসীমানার মধ্যে থেকে প্রতিমা বিসর্জন দিয়েছেন উভয় দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। এ কারণে তেমন জমেনি শত বছরের ঐতিহ্যবাহী দুই বাংলার মানুষের মিলন মেলা।
মঙ্গলবার সকাল থেকে ইছামতি নদীর দু’পাড়ে কয়েক হাজার মানুষ উপস্থিত হন। তবে নিজ জলসীমার মধ্যে নৌকা ভাসানোর কারণে দুই বাংলার মানুষের মিলন মেলায় ভাটা পড়ে।
এর আগে বিজিবি ও বিএসএফ যৌথ সমাবেশ করে দুই দেশের নিরাপত্তা বিষয়ক কৌশল গ্রহণ করে। এর সাথে যুক্ত হয় দেবহাটা উপজেলা পরিষদ ও ভারতের টাকি পৌরসভা।
মিলন মেলায় অংশ নিয়ে দেবহাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল গণি বলেন, ‘বাংলার চিরায়ত সংস্কৃতি হিসেবে দুই বাংলার এই মিলন মেলা আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। শত বছর ধরে এই মেলা হয়ে আসছে। এ সময় একাকার হয়ে যায় সব ধর্ম বর্ণের মানুষ। তারা পরস্পরকে শারদীয় শুভেচ্ছা জানান। ’
ভারতের পশ্চিম বাংলার টাকি পৌরসভার মেয়র সোমনাথ চ্যাটার্জি বলেন, ‘প্রতি বছর আমরা এই দিনটির অপেক্ষায় থাকি। এদিন দুই বাংলার মানুষ তাদের ভৌগলিক সীমানাকে পেছনে ফেলে একাকার হয়ে যায়।’
প্রতিমা বিসর্জনের মিলন মেলায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক এস.এম, মোস্তফা কামাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পুলিশ সুপার মো. ইলতুৎমিশ, দেবহাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল গণি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজিয়া আফরিন প্রমুখ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



