
তিনি সেখানে বন্দি হওয়ার তিন মাস পর তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি তার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরই ওই নাগরিকদের বন্দি থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানায়, গত বছরের ডিসেম্বরে বেঙ্গালুরুভিত্তিক একটি জাহাজ কোম্পানিতে যোগ দেন হিরন শেখ সিদ্দিকি। তিনিসহ ২০ জন ফেব্রুয়ারিতে ইয়েমেনে আটকা পড়েন। পরবর্তীতে গত মে মাসে তিনি তার বাড়িতে ফোন করেন। হিরন শেখ জানান, তিনি ছাড়াও বন্দিদের মধ্যে আরও ১৩ জন ভারতীয় নাবিক রয়েছেন। বন্দিদের মধ্যে ভারতের কেরালার দুজন, মহারাষ্ট্রের সাতজন, তামিলনাড়ুর দুজন, একজন উত্তরপ্রদেশের, একজন রাজস্থানের এবং একজন পুদুচেরির। এছাড়া বাংলাদেশের পাঁচজন এবং মিসরের একজন নাবিকও তাদের সঙ্গে বন্দি জীবন-যাপন করছেন।
তারা গত ৩ ফেব্রুয়ারি ওমান থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা করেছিলেন। যাত্রা করার কিছুদিন পর খারাপ আবহাওয়ার কারণে তারা ইয়েমেন বন্দরে নোঙ্গর ফেলতে বাধ্য হন। তারা সে সময় এটা ভুলে গিয়েছিলেন যে, এটা একটি যুদ্ধ-বিধ্বস্ত এলাকা। সামগ্রিক বিপদের কথা সে সময় তাদের মাথায়ই ছিল না।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ইয়েমেনের উপকূলরক্ষী বাহিনীর পরিচয়ে বেশ কয়েকজন ওই নাবিকদের বন্দি করে নিয়ে যায়। তাদের সেখান থেকে সানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং তখন থেকেই একটি হোটেলে বন্দি করে রাখা হয়। তাদের কাছ থেকে তাদের পাসপোর্ট এবং জাহাজের সব কাগজপত্র নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে কর্ন সুবর্ন ওয়েলফেয়ার সোসাইটি নামে ভারতের একটি এনজিও সংস্থা জানায়, তারা এ বিষয়টি জানতে পেরেছে এবং গত ১৬ নভেম্বর এ বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা আরও জানায়, ভারতীয় সরকার ওই ক্রু সদস্যদের মুক্তির জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তাদের নিশ্চয়তা দিয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



