Advertisement

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রয়াত আল-কায়েদা প্রধান উসামা বিন লাদেনের ছেলে ও তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হামজা বিন লাদেন নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র এমন গোয়েন্দা তথ্য পেয়েছে বলে দেশটির বিভিন্ন গণামধ্যমের খবরে জানা গেছে।

তিন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে তার মৃ*ত্যুর খবর দিয়ে প্রথম প্রতিবেদন প্রচার করে এনবিসি নিউজ। তবে কোথায় কখন তিনি নিহত হয়েছেন কিংবা তার মৃ*ত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা আছে কিনা, কর্মকর্তারা তা নিশ্চিত করেননি।

যুক্তরাষ্ট্র তার মৃ*ত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে কিনা তাও পরিষ্কার না। হামজার নিহত হওয়া নিয়ে কোনো গোয়েন্দা তথ্য আছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, এ বিষয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না।

গত বছরে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটির মিডিয়ায় প্রকাশ করা সর্বশেষ বিবৃতিতে আরব উপদ্বীপের লোকজনের বিদ্রোহের আহ্বান জানিয়েছেন হামজা। এতে সৌদি আরবকেও হুমকি দেয়া হয়েছিল।

মার্চে সৌদি আরব তার নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়। তখন যেকোনো দেশে হামজার অবস্থান কিংবা শনাক্ত করা সম্ভব এমন তথ্য দিতে পারলে ১০ লাখ ডলারের পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

১১ সেপ্টেস্বর হামলার আগে ৩০ বছর বয়সী হামজা আফগানিস্তানে তার বাবার পাশে ছিলেন। পরবর্তী সময়ে আফগানিস্তানে মার্কিন আগ্রাসনের পরে পাকিস্তানেও তারা একসঙ্গে সময় কাটিয়েছেন।

১৯৮৯ সালে সম্ভবত হামজা বিন লাদেন জন্মগ্রহণ করেছেন। ১৯৯৬ সালে তার বাবা আফগানিস্তানে যান এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। আল-কায়েদার বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে বাবার পাশে হামজাকেও দেখা গেছে।

২০১১ সালে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে মার্কিন নেভি সিলের এক অভিযানে উসামা বিন লাদেন নিহত হন। যে কম্পাউন্ডে উসামা নিহত হন, সেখানে হামজাকে দেখা যায়নি।

২০১৭ সালে এক প্রবন্ধে সন্ত্রাসবাদবিরোধী বিশেষজ্ঞ ও যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের সাবেক এজেন্ট আলি সওফান বলেন, বাবার প্রতিষ্ঠিত সংগঠনের নেতৃত্ব নিতে হামজা প্রস্তুত হচ্ছেন।

ওসামার জীবিত তিন স্ত্রীর মধ্যে খাইরিয়া সাবারের গর্ভে জন্ম নিয়েছেন হামজা বিন লাদেন।

গত আগস্টে ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলায় প্রধান ছিনতাইকারী মোহাম্মদ আত্তার মেয়েকে বিয়ে করেন। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রাণ হারায় দুই হাজার ৭৫৩ জন।

শুধু প্রাণের হিসেবেই নয়, এই ঘটনায় পাল্টে যায় বিশ্ব রাজনীতির মানচিত্র। ঘটনার পরপরই সন্দেহের তীর আল-কায়দার ওপর গিয়ে পড়ে।

প্রাথমিকভাবে হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয় অস্বীকার করলেও ২০০৪ সালে হামলার দায় স্বীকার করেন আল-কায়দা প্রধান উসামা।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.