
এতে বলা হয়েছে, ইরানি নাগরিক বা তাদের আত্মায়-স্বজন এখন থেকে আর আমেরিকার কাছে ই-ওয়ান ও ই-টু ভিসার আবেদন করতে বা এ ধরনের ভিসা নবায়নের আবেদন করতে পারবেন না। বৃহস্পতিবার (আজ) থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে।
আমেরিকায় বিদেশি বড় আকারের পুজি বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের এই দুই ধরনের ভিসা দেয়া হয়। এই ভিসাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা আমেরিকায় বসবাস করা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালানোর সুযোগ পান।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের ভিসা নিয়ে ইতোমধ্যে কতো সংখ্যক ইরানি বসবাস করছেন তা স্পষ্ট নয়। তবে সংখ্যাটি অনেক ছোট বলে বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে। একজন ইরানি ছাত্রের ভিসা বাতিল করে তাকে আটকের প্রতিবাদে গত ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন লোগান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রতিবাদ করেন অভিবাসীদের অধিকার রক্ষার আন্দোলনকারীরা। ওই ঘটনার দু’দিন পর ইরানি ব্যবসায়ীদের ভিসা দেয়া বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল ওয়াশিংটন।
আমেরিকা এই প্রথম ইরানি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমন অমানবিক আচরণ করেনি। কিছুদিন আগেও মার্কিন সরকার কোনো ধরনের ব্যাখ্যা না দিয়ে ২০ ইরানি শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করে দিয়েছিল।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



