
এছাড়া ইসরায়েলে পৌঁছাতে পারে মে মাসের দিকে। মে থেকে জুলাই মাসের মধ্যে ভারতে হানা দিতে পারে পঙ্গপালের এ ঝাঁক। এর আগে, গত মাসের শুরুর দিকে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলের সিন্ধু প্রদেশে পঙ্গপাল প্রথমে হামলা শুরু করলেও ধীরে ধীরে তা ছড়িয়ে পড়ে দেশটির বিভিন্ন অংশে।
এতে জন-জীবন বিপর্যস্ত হওয়ার পাশাপাশি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন সরকার ইতোমধ্যে দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি করেছে।
ইউরোপ পঙ্গপালের এ ঝাঁকের আওতার বাইরে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মরুভূমি থেকে সৃষ্ট পঙ্গপালের ঝুঁকিতে নেই চীনও। অর্থাৎ চীন পঙ্গপালের প্রাকৃতিক পাল্লার বাইরেই রয়েছে। আবহাওয়া অত্যন্ত শীতল হওয়ায় পঙ্গপালের ঝাঁক হিমালয় পর্বতমালাও পার হতে পারবে না বলেও জানান তিনি।
দিনে প্রায় দেড়শ কিলোমিটার পাড়ি দিতে সক্ষম পঙ্গপালকে পরিযায়ী বা যাযাবর অর্থাৎ মাইগ্রেটরি পতঙ্গকুলের মধ্যে সবচেয়ে বিধ্বংসী হিসেবে গণ্য করা হয়। সাধারণ একটি ঝাঁকে ৮ কোটি পতঙ্গ থাকতে পারে। দিনে এ পঙ্গপাল ৩৫ হাজার মানুষের খাবার উদরস্থ করতে পারে।
২০০৪ সালে পশ্চিম আফ্রিকায় আড়াইশ কোটি ডলার সমপরিমাণ শস্য নষ্ট করেছিল পঙ্গপাল। ১৯১৫ সালে পঙ্গপালের সবচেয়ে মারাত্মক হামলা হয়েছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়ে এ পঙ্গপালের হামলার শিকার হয়েছিল সিরিয়া এবং উসমানি সাম্রাজ্যের অন্যান্য অংশ। পার্সট্যুডে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



