
যোগ্যতা নিয়ে করা জালিয়াতি ধরা পড়ায় এক-তৃতীয়াংশ পাইলটকে বিমান নিয়ে আকাশে উড়তে নিষেধ করে দিয়েছে খোদ পাকিস্তানই। দেশটিতে ৮৬০ পাইলট আছেন, যাদের মধ্যে ১০৭ জন বিদেশি এয়ারলাইনসে কাজ করেন।
মালয়েশিয়ার বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলেছে, মালয়েশিয়ার ২০ জনের মতো পাকিস্তানি পাইলট আছে। দেশটির এমন সিদ্ধান্তের পর পাকিস্তানি বিমান চালকদের নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়ছে। তাদের যোগ্যতার সত্যাসত্য নির্ধারণেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গত সপ্তাহে পাকিস্তানের জাতীয় বিমানকে নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে ইউরোপীয় ইউনিয়নের এভিয়েশন সেফটি এজেন্সি’র (ইএএসএ) দেওয়া এক চিঠিতে বিমান চালকদের লাইসেন্সের কার্যকারিতা সম্পর্কে উদ্বেগের কথা জানায়। তাদের কথা হলো, পাকিস্তান নিজেই এখন এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী তাদের বিমান চলাচলের ব্যাপারে কোন রকম নিশ্চয়তা দিতে পারছে না।
এদিকে মিশর ও আবুধাবিতেও পাকিস্তানের পাইলটদের লাইসেন্স পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে মালয়েশিয়ার দৈনিকটি। গত সপ্তাহের শুরুতে ভিয়েতনামও পাকিস্তানি বিমানচালকদের নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
পাকিস্তানের বিমানমন্ত্রী গুলাম সারোয়ার খান সংসদে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সে ৪০ শতাংশ পাইলটের ভুয়া লাইসেন্সের বিষয়টি প্রকাশের পর বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থা (আইএটিএ) লাইসেন্সের বিষয়ে নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



