
উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বদরুদ্দোজা শুভ বলেন, করোনাভাইরাসে উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করায় স্থানীয় লোকজন কেউ ছিল না। এমনকি মসজিদের ইমাম ছিল না। পরে সবাই আমাকে বললো তাই মানবিকতার জায়গা থেকে জানাজার নামায পড়িয়েছি।
জানা যায়, করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত সামাদ ফরিদপুরের কানাইপুরে কাজ করতেন। গতকাল শনিবার ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। পরে আঞ্জুমান মফিদুলের লোকজন মৃতদেহ নিয়ে তার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ পৌরসভার খাজুরায় আসে। করোনার ভয়ে এলাকার কেউ আসেনা। তখন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বদরুদ্দোজা শুভ তার জানাজার নামায পড়ান।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



