
বৃহস্পতিবার ফাইন্যান্সিং ফর ডেভেলোপমেন্টের একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে জাতিসংঘের প্রধান আরও বলেছেন, তবে সব দেশ যদি একতা ও সংহতির সঙ্গে পদক্ষেপ নেয় তাহলে এই সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব। এনডিটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
গুতেরেস বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই এ পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে হবে। তবে এই মহামারি আমাদের নানা অসামঞ্জস্যতা সামনে এনেছে। প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের ব্যাপক উন্নতি সত্ত্বেও ক্ষুদ্র এক ভাইরাসের কারণে আমরা নজিরবিহীন মানবিক সংকটের মধ্যে পড়েছি’।
নজিরবিহীন এই সংকট মোকাবিলায় সব দেশকে সংহতি ও একতা বজায় রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন গুতেরেস।
১৯৩০ সালের মহামন্দার পর এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি বলে জানান গুতেরেস। এর ফলে ৮ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার সমপরিমাণের বৈশ্বিক উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
এরপর জ্যামাইকার প্রধামন্ত্রী অ্যান্ড্র হলনেস ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করেন গুতেরেস। এ সময় বিশ্বব্যাপী দুর্বল স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, জলবায়ু পরিবর্তন ও অসমতার কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
কনফারেন্স পরবর্তী সংবাদসম্মেলনে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের পরস্পরকে এড়িয়ে চলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে গুতেরেস বলেন, ‘দু’টি দেশই আমাদের কাজের সঙ্গে সমন্বয় করছে’।
সম্প্রতি নতুন করোনাভাইরাসের উৎপত্তি, বাণিজ্য যুদ্ধ ও সর্বশেষ হংকং নিরাপত্তা বিল নিয়ে তুমুল দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র। সমালোচকরা মনে করেন, মহামারির সময়ে বিশ্বের দুই ক্ষমতাধর দেশের মুখোমুখি অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



