
প্রথমে একটি বাঘের পুতুল বা কাকতাড়ুয়া ব্যবহার করেন শ্রীকান্ত। সেটি একটু উঁচু জায়গায় দাঁড় করিয়ে দেন। এতে ভালোই কাজ হচ্ছিল। জমির সামনে বাঘকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ক্ষেতের দিকে ঘেঁষত না হনুমানগুলো। দুই দিন পর একই কৌশল ব্যবহার করেন অন্য একটি জমিতে। ভালো ফলও পান। বাঘ ব্যবহারের এই কৌশল দুইবার কাজ দিলেও, বেশি দিন যে এটি চলবে না তা জানতেন শ্রীকান্ত। তাই এবার কৌশলে কিছুটা পরিবর্তন আনলেন। একটি কুকুরের গায়ে বাঘের মতো ডোরাকাটা রঙ করে দেন দিন। গায়ে লাগিয়ে দেন কলপের কালো কালি। দূর থেকে দেখলে তাকে ডোরাকাটা বাঘই মনে হবে। শ্রীকান্তের এই কুকুরকে বাঘ সাজানোর কৌশল দারুণ কাজ করে। বাঘ সেজে কুকুরটি ক্ষেতের চারপাশে ঘুরে বেড়ায় আর বাঘ ভেবে ফসলের আশেপাশেও ঘেঁষে না হনুমানের দল। আর তাই সব মিলিয়ে শান্তিতেই আছেন শ্রীকান্ত।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



