খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নিহত জোসনা বেগম ওই স্পিডবোটের চালক তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের রতনশ্রী গ্রামের বাসিন্দা বরুজ মিয়ার স্ত্রী। আর আহত রিনা বেগম উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন খানের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকালে উপজেলার বাদাঘাট বাজার থেকে ঈদের কেনাকাটা শেষে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন খানের মেয়ে এবং বোট চালকের স্ত্রী ও চার সন্তান নিয়ে আবুল হোসেন খানের বাড়িতে আসতে চাইছিল। সেখানে রিনা বেগমকে পৌঁছে দিয়ে চালক তার স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েকে নিয়ে নিজ বাড়ি ফেরার কথা ছিল।
আবুল হোসেন খানের বাড়ি উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী বানিয়াগাঁও গ্রামে। কিন্তু স্পিডবোটটি গ্রামের নিকটবর্তী পাটলাই নদীর বালিয়াঘাট বিজিবি ক্যাম্পের সামনে ব্লাকহেড নৌকার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে স্পিডবোটটি নিয়ন্ত্রণ হারালে বোটে থাকা সব যাত্রীই পানিতে ডুবে যায়।
স্থানীয়রা এ সময় সবাইকে উদ্ধার করলেও নিহত মা মেয়ে নিখোঁজ ছিল। দুর্ঘটনার প্রায় দেড় ঘণ্টা পরে মা ও মেয়েকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন স্বজন ও এলাকাবাসী।
তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল লতিফ তরফদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।