
মোদি বলেন, যে আদর্শ নিয়ে চলি, তাতেই অনেকের আপত্তি। ভুল করছি বলে নয়, দেশের জনতার আশীর্বাদ পাচ্ছি বলে। ভোটে যাদের প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, যাদের কথা দেশ মানতে রাজি নয়, তাদের হাতে খুব কম হাতিয়ার বাকি আছে। তার মধ্যে একটি হল বিভ্রান্তি ও মিথ্যা ছড়ানো।
মোদির অভিযোগ, ‘(আইনের সমর্থনে) যে সভা হচ্ছে, হাজার-হাজার, লক্ষ লোক আসছেন, তার প্রচার হচ্ছে না। এই খেলা চলবে, আমরাও এগোব।’
ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের জবাবে কংগ্রেসের এক মুখপাত্র বলেন, নিজের দলকে চাঙ্গা করতে প্রধানমন্ত্রী কী বলবেন, সেটা তার বিষয়। আর মেরুকরণের তাস খেলে বিরোধীদের ঘাড়ে দায় চাপানোটাও তার পুরনো অভ্যাস। এর আগে বিজেপির নেতারা, কংগ্রেসের পরিবারতন্ত্র বনাম বিজেপির অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র— এই মর্মে কংগ্রেসের সমালোচনা করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে অমিত শাহের মেয়াদ শেষ হয়েছিল। তবে বিভিন্ন কারণে কাজ চালিয়ে যেতে বলা হয়েছিল তাকে। সবশেষ তিনি সভাপতিপদ ছেড়ে জেপি নাড্ডাকে দিলেন। বর্তমানে সিএএ, এনআরসি ইস্যুতে ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে এখন কিছুটা ব্যাকফুটে বিজেপি। বিজেপির বিরুদ্ধে বিভাজনের রাজনীতির অভিযোগ তুলে সরব একাধিক রাজনৈতিক দল।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



